বিজ্ঞাপন

শান্তিচুক্তির অধিকাংশ শর্ত ইতিমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ভূমিসংক্রান্ত দীর্ঘদিনের সমস্যাও নিষ্পত্তির প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। চুক্তির অবশিষ্ট শর্ত বাস্তবায়নে শেখ হাসিনা সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দুর্গম পাহাড়ে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি শেখ হাসিনা এখন উন্নয়নের স্বর্ণদুয়ার খুলে সংকটকে সম্ভাবনায় রূপ দিয়েছেন।

উন্নয়নের সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক নেই জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন সবার। উন্নয়নের ধারাকে ব্যাহত না করে দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য তিন জেলার সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে রাজস্ব আয় বাড়ানোর অসীম সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সরকার এ অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার স্বকীয়তা বজায় রেখে উন্নয়নের প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাচ্ছে এবং বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে চলছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এর আগে কোনো সরকারই পাহাড়ের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেয়নি। শান্তিচুক্তির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শান্তির পায়রা উড়িয়েছেন এবং দুর্গমকে করেছেন সুগম।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার সীমান্ত ঘেঁষে প্রায় ৩১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের নির্মাণকাজ এগিয়ে চলছে। এর মধ্যে ১০০ কিলোমিটার লিংক রোড এবং ২১৭ কিলোমিটার সীমান্ত বরাবর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন