এই পরিস্থিতিতে আবারও বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির অপচেষ্টা চলছে। এই অপচেষ্টা রুখে দিতে হবে।

সভায় বলা হয়, গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার, শিল্প–কৃষিসহ ঘরে ঘরে সুলভে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ দিতে জাতীয় কমিটি ও বিশেষজ্ঞরা বারবার বলে আসছিলেন। কিন্তু এসব মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে। আমদানিনির্ভরতার কারণে এখন যে সংকট তৈরি হয়েছে, তার দায় সাধারণ মানুষ নেবে না। এ দায় সরকারকে নিতে হবে।

সভা থেকে জ্বালানি খাতের শ্বেতপত্র প্রকাশ, ‘জ্বালানি অপরাধী’দের চিহ্নিত করে তাঁদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।

জাতীয় কমিটির নেতারা বলেন, বর্তমান সংকট সামনে রেখে নানা মহল বিদ্যুৎ উৎপাদনের নামে হীন স্বার্থ উদ্ধারের চেষ্টা চালাবে। এ বিষয়ে সতর্ক থেকে পরিবেশবান্ধব জ্বালানির দাবি ও অপ্রয়োজনীয়, ক্ষতিকর প্রকল্প বন্ধের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখতে হবে। একই সঙ্গে জনজীবন, কৃষি, শিল্প উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের বিলাসী কার্যক্রম বন্ধের আহ্বান জানানো হয়।

জরুরি ভিত্তিতে দেশের স্থল ও সমুদ্র ভাগের গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের পদক্ষেপ গ্রহণ এবং গ্যাসক্ষেত্র থেকে যথাযথভাবে গ্যাস উত্তোলন, চুরি, অপচয় বন্ধেরও আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় কমিটি।

রাজধানীর পল্টনের মুক্তি ভবনে সিপিবি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন তেল–গ্যাস–খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ–বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সংগঠক অধ্যাপক এম এম আকাশ। বক্তব্য দেন কমিটির সংগঠক রুহিন হোসেন, বজলুর রশীদ ফিরোজ, জোনায়েদ সাকী, নজরুল ইসলাম, হারুন অর রশীদ প্রমুখ।

এদিকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং বর্তমান সংকটের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিতে ২১ জুলাই দেশব্যপী বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে তেল–গ্যাস–খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ–বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন