default-image

আফ্রিকা অঞ্চলসহ কয়েকটি দেশের প্রতারক চক্র এ দেশের মানুষকে লোভের ফাঁদে ফেলে ফতুর করছে। এদেশীয় সহযোগীদের নিয়ে এসব সংঘবদ্ধ চক্র এক দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে তৎপরতা চালাচ্ছে।

শুরুর দিকে এসব আন্তর্জাতিক চক্র এখানে ডলার দ্বিগুণ করার নামে প্রতারণা করত। কয়েক বছর ধরে বিদেশ থেকে ‘উপহার’ পাঠানোর নামে এবং ফেসবুকে অন্যের আইডি হ্যাক করে সেখানে থাকা বন্ধুতালিকার লোকজনকে ফাঁদে ফেলে প্রতারণা বেশি করছে।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ সূত্র জানায়, প্রতারণার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৯টি দেশের নাগরিক রয়েছেন। এসব দেশের ৮৬ জন এখন বিভিন্ন কারাগারে আছেন। এর মধ্যে নাইজেরিয়ার ৬৬ জন, ক্যামেরুনের ৬ জন, পেরু, তানজানিয়া, গিনি ও ঘানার ২ জন করে এবং আলজেরিয়া, মালি ও কেনিয়ার ১ জন করে নাগরিক রয়েছেন।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বেশির ভাগ ব্যবসায়িক বা ভ্রমণ ভিসায় বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। তাঁদের একটি অংশ পাসপোর্ট হারিয়ে গেছে বলে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে অবৈধভাবে অবস্থান করে থাকেন। প্রতারণায় যুক্ত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই রাজধানীর উত্তরা, আশকোনা ও খিলক্ষেত এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বা হোটেলে অবস্থান করেন। নিজেদের ফুটবলার বা বায়িং হাউসের ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দেন।

পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আফ্রিকা মহাদেশের ৩২টি দেশের ৯২৭ জন নাগরিক এখন বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। তাঁদের মধ্যে ৪৫৫ জনেরই ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। প্রতারণাসহ বিভিন্ন মামলার আসামি রয়েছেন ১৫৭ জন।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ নিয়ে আসতে দেরি করেন। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে এলে এ ধরনের প্রতারকদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সহজ হয়।
রেজাউল হায়দারঅতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক, সিআইডি

তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, প্রতারিত হওয়া ব্যক্তিদের বেশির ভাগই শিক্ষিত। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে নানা পেশার নারী–পুরুষ রয়েছেন। কেউই লাখ টাকার নিচে গচ্চা দেননি। সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ ২২ লাখ টাকা গচ্চা দিয়েছেন এক ব্যবসায়ী।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান বনজ কুমার মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের প্রতারক চক্রের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রায়ই সংবাদ প্রকাশিত হয়। তারপরও প্রতারিত মানুষের সংখ্যা কমছে না। সংক্ষিপ্ত পথে লাভবান হওয়ার লোভ থেকেই ভুক্তভোগীরা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।

যেভাবে ফাঁদে পড়ে মানুষ

জেনিটরি নামক একটি ফেসবুক আইডির সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়েছিল বরিশালের এক ব্যবসায়ী যুবকের। জেনিটরি নিজেকে আমেরিকান নারী পরিচয় দিয়েছিলেন। কিছুদিন পর জেনিটরি জানান, তিনি বরিশালের যুবককের ঠিকানায় ডাকে একটি ‘গিফট বক্স’ পাঠিয়েছেন। দুদিন পর একটি অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন আসে। গিফট বক্সটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আছে বলে জানান উইলিয়াম নামধারী এক ব্যক্তি। কিছুক্ষণ পর শুল্ক কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি ফোন দিয়ে ভ্যাটের ৫১ হাজার ২৬০ টাকা পাঠাতে বলেন। এ জন্য একটা ব্যাংক হিসাবের নম্বর দেন। যুবক সেই টাকা পাঠান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যুবকটি প্রথম আলোকে বলেন, ভ্যাটের ৫১ হাজার ২৬০ টাকা পাঠানোর পরদিন উইলিয়াম নামধারী ব্যক্তিটি তাঁকে ফোন করে জানান, গিফট বক্সটি স্ক্যান করা হবে। মূল্যবান সামগ্রী থাকলে তিনি সমস্যায় পড়বেন। তবে নন-স্ক্যানিং ফি ১ লাখ ২০ হাজার ৪৫০ টাকা দিলে বক্সটি স্ক্যান করা হবে না। এরপর এই টাকা পাঠান যুবকটি। এরপর কথিত উইলিয়াম ফোন দিয়ে জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গিফট বক্সসহ তাঁকে আটক রেখেছে। উপহারের প্রয়োজন নেই বলে জানান ওই ব্যবসায়ী যুবক। তখন উইলিয়াম নামধারী ব্যক্তিটি জানান, বক্সে যুবকের নাম-ঠিকানা লেখা আছে। পুলিশ ঠিকানা ধরে তাঁর খোঁজ করতে পারে।

বিজ্ঞাপন

প্রতারিত ব্যবসায়ী যুবকটি বলেন, উইলিয়াম নামধারী ওই ব্যক্তি তাঁকে জানান, আমেরিকার নাগরিক হওয়ায় এমবাসি থেকে যদি তিনি একটি সার্টিফিকেট নিয়ে দেখান, তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গিফট বক্সটি ছেড়ে দেবে। তবে এ জন্য সার্টিফিকেট ফি হিসেবে ৩ লাখ ৮২ হাজার ৫০০ টাকা দিতে হবে। সেই টাকা পাঠানোর পর সার্টিফিকেটের সঙ্গে হাইকোর্টের সিলমোহর লাগবে বলে জানান। সে জন্য দাবি অনুযায়ী আরও দেড় লাখ টাকা পাঠান যুবকটি। এরপর বিমানবন্দরে আরও কিছু টাকা লাগবে বলে জানালে তিনি আরও ৭০ হাজার টাকা পাঠান। তারপরও গিফট বক্সটির কোনো সন্ধান পাননি ওই যুবক। পরে সোলায়মান নামধারী আরেক ব্যক্তি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নেন আরও ৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এ জন্য বন্ধুদের কাছ থেকে টাকা ধার করেন তিনি। পরে একটি প্রতারণার সংবাদ দেখে বুঝতে পারেন, তিনি প্রতারিত হচ্ছেন।

সিআইডির উপপরিদর্শক নিউটন দত্ত প্রথম আলোকে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া প্রতারণার ঘটনাগুলোর বেশির ভাগ একই ধাঁচে ঘটছে। বরিশালের ওই যুবকের সঙ্গে যাঁরা যোগাযোগ করেছিলেন, তাঁদের সবাই ছিলেন প্রতারক চক্রের সদস্য। একাধিক ব্যক্তিকে উপহার পাঠানোর একই ভুয়া বক্সের ছবি পাঠানো হয়। এ ক্ষেত্রে শুধু নাম পরিবর্তন করে দেওয়া হয়। কুরিয়ার সার্ভিসের একটি ভুয়া ওয়েবসাইট বানান প্রতারকেরা। সেখানে ট্র্যাকিং নম্বর দিয়ে সার্চ দিলে উপহারের অস্তিত্ব রয়েছে বলেও দেখা যায়। তখন ভুক্তভোগী ব্যক্তি শিক্ষিত হলেও তিনি বিশ্বাস করে বসেন যে উপহারটি পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া ফেসবুকের আইডি হ্যাক করে সেই আইডির বন্ধুতালিকায় থাকা মানুষের সঙ্গে প্রতারণার প্রমাণও পেয়েছে সিআইডি। তদন্তকালে আনিতা জিম রোজ নামের একটি ফেসবুক আইডির সন্ধান পান তাঁরা। ওই আইডিতে আমেরিকান আর্মি সদস্যের পোশাক পরা নারীর ছবি ছিল। পরে তাঁরা দেখতে পান সেই আইডিটি মিম ইসলাম নামের কারও নামে খোলা হয়েছিল। ক্লুন্ডার কেলভিন নামের আরেকটি আইডি পেয়েছেন, যেটি খুলেছিলেন মোহাম্মদ মিজান নামের একজন।

জানা গেছে, এসব প্রতারক চক্র বাংলাদেশে তৎপরতা শুরু করে ২০০৫–০৬ সালের দিকে। নিজেদের বড়লোক ব্যবসায়ী হিসেবে উপস্থাপনের জন্য তাঁরা পাঁচ তারকা হোটেলে কক্ষ ভাড়া করতেন। ১০০ ডলারের নোট দিলে সেটা দিয়ে আরেকটি নোট তৈরি করে দেওয়া, কখনো কম মূল্যে বিক্রির কথা বলে নকল ডলার ধরিয়ে দিতেন। আবার কখনো বিদেশে বিনিয়োগের কথা বলে, কখনো যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের বড়লোক নাগরিক পরিচয় দিয়ে নিজের বিপুল পরিমাণ টাকা বন্ধু হিসেবে সংরক্ষণের জন্য পাঠাবেন, এমন আশ্বাস দিয়ে প্রতারণা করেছেন।

অপরাধে সংঘবদ্ধতা

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, এসব বিদেশি চক্রের বাংলাদেশি সহযোগীরাও সংঘবদ্ধ। এমনই একটি প্রতারক চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গত ২১ জুলাই সিআইডির হাতে গ্রেপ্তার হন রাহাত আরা খানম। তিনি শুল্ক কর্মকর্তা সেজে প্রতারক চক্রকে সাহায্য করতেন। তাঁর সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় নাইজেরিয়ার ১৩ জন নাগরিককে।

জিজ্ঞাসাবাদে রাহাত আরা তদন্ত কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত আফ্রো–এশিয়া রেস্তোরাঁর মালিক ফ্রাঙ্ক জ্যাকব প্রতারক চক্রের অন্যতম প্রধান ব্যক্তি। আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের এ দেশে নিয়ে আসতে ভিসার জন্য তিনি আমন্ত্রণপত্র পাঠাতেন। এ কাজে আল-আমিন নামের চট্টগ্রামের একজনসহ অন্তত দুজন বাংলাদেশি কমিশনের বিনিময়ে তাঁকে সাহায্য করতেন। সোহেল নামের আরেক যুবক তাঁদের ফোনের সিম কার্ডের ব্যবস্থা করে দিতেন। এই ফ্রাঙ্ক জ্যাকবকে পরে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আফ্রিকা মহাদেশের ৩২টি দেশের ৯২৭ জন নাগরিক এখন বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। তাঁদের মধ্যে ৪৫৫ জনেরই ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। প্রতারণাসহ বিভিন্ন মামলার আসামি রয়েছেন ১৫৭ জন।

পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো প্রতিবেদনে পিবিআই বলেছে, নাইজেরিয়ার যেসব নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে আছেন, তাঁরা নতুন আসা নাগরিকদের সহায়তা করেন। নাইজেরিয়ান কমিউনিটি অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (এনক্যাব) নামে ভুয়া অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করা হয়। সংগঠনটি নাইজেরিয়ার অপরাধীদের মামলাসংক্রান্ত যাবতীয় খরচ বহন করে এবং অপরাধীদের দায়মুক্তির ব্যবস্থা করে।

প্রতারণার ক্ষেত্রে দুটি জায়গায় বাংলাদেশিদের সহায়তার প্রয়োজন হয় এসব চক্রের। প্রথমত, উপহারটি বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছে, এটা বলতে একজন বাংলাদেশি নারী বা পুরুষ শুল্ক কর্মকর্তা সেজে ফোন করেন। আর ভ্যাটসহ বিভিন্ন কথা বলে টাকা নেওয়ার জন্য ব্যাংক হিসাবের ব্যবহার।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, রাহাত আরা খানম যে চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সেই চক্র ৩৭টি ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে টাকা লেনদেন করত। একজন ব্যক্তির নামে একই ব্যাংকে একাধিক হিসাবও পেয়েছেন তাঁরা। প্রতারণা করে বরিশালের যুবকের ২২ লাখ টাকা নেওয়ার ঘটনায় ৭টি ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করা হয়েছিল। এর মধ্যে দুটি ব্যাংক হিসাবের ঠিকানা ভুয়া ছিল। বাকিগুলোতে ব্যবহৃত ঠিকানায়ও কাউকে পাওয়া যায়নি।

সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মামুন জাকির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে এসব ব্যাংক হিসাব করা হচ্ছে বলে তাঁরা নিশ্চিত হয়েছেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ হিসাব খোলার সময় ব্যক্তির পরিচয় থেকে শুরু করে সবকিছু ঠিকভাবে যাচাই করছে না।

প্রতারণার কয়েকটি ঘটনা অনুসন্ধানের পর ২০১৮ সালে পুলিশ সদর দপ্তরে একটি চিঠি দিয়েছিল পিবিআই। তাতে বলা হয়, নাইজেরিয়ার নাগরিকেরা বাংলাদেশে অবস্থানকালে বিদেশি নাগরিক হিসেবে শুল্কমুক্ত (ডিউটি ফ্রি) কোটায় মদ, বিয়ার কেনার সুযোগ থাকায় কিছু বাংলাদেশির সঙ্গে তাঁদের সখ্য গড়ে ওঠে। আবার কারাগারে অবাধে বাংলাদেশি বন্দীদের সঙ্গেও তাঁদের সখ্য গড়ে ওঠে। পরে তাঁরা জামিনে এসে একত্র হয়ে নতুন নতুন অপরাধ করছেন। তাঁরা একাধিকবার জেল খাটার পরও বাংলাদেশে অবস্থান করে নানান কৌশলে অপরাধের প্রসার ঘটাচ্ছেন এবং বাংলাদেশেই থেকে যাচ্ছেন।

ফেসবুকের আইডি হ্যাক করে সেই আইডির বন্ধুতালিকায় থাকা মানুষের সঙ্গে প্রতারণার প্রমাণও পেয়েছে সিআইডি। তদন্তকালে আনিতা জিম রোজ নামের একটি ফেসবুক আইডির সন্ধান পান তাঁরা।
বিজ্ঞাপন

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ২০১৭ সাল থেকে চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত আফ্রিকার পাঁচটি দেশ থেকে ২ হাজার ৭০৪ জন নাগরিক বাংলাদেশে এসেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২ হাজার ২০১ জন এসেছেন নাইজেরিয়া থেকে। ঘানা থেকে ৮১ জন, উগান্ডা থেকে ১০২ জন, ক্যামেরুন থেকে ১৩৮ জন ও কেনিয়া থেকে এসেছেন ১৮২ জন।

নাইজেরিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি বিদোষ চন্দ্র বর্মণ গত শনিবার মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ভিসার সব শর্ত পূরণ করলে তবেই ভিসা দেওয়া হয়। ব্যবসায়িক ভিসার ক্ষেত্রে আমন্ত্রণপত্রসহ অন্য কাগজপত্র পাঠানো হয়। সেগুলোও যাচাই–বাছাই করা হয়। তারপরও কিছু নাগরিকের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার খবর তাঁরা গণমাধ্যমে দেখেন। সে ক্ষেত্রে ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তারা সুনির্দিষ্ট ঘটনা ধরে যোগাযোগ করলে গলদ কোথায়, তা শনাক্ত করা যাবে।

সিআইডির অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক রেজাউল হায়দার গত বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে বলেন, প্রতারণার অভিযোগে গত কয়েক মাসে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের পঞ্চাশের বেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। এখনো নতুন নতুন অভিযোগ আসছে। তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরা অভিযোগ নিয়ে আসতে দেরি করেন। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে এলে এ ধরনের প্রতারকদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সহজ হয়।

মন্তব্য পড়ুন 0