বিজ্ঞাপন

মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে শহীদের করা জেল আপিল খারিজ করে আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের ভার্চ্যুয়াল আপিল বিভাগ শহীদের সাজা সংশোধন করে এ রায় দেন। একই সঙ্গে কারাগারের কনডেম সেল থেকে তাঁকে অবিলম্বে সাধারণ সেলে আনতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালতে শহীদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত হিসেবে আইনজীবী মো. হেলাল উদ্দিন মোল্লা এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি বিশ্বজিৎ দেবনাথ শুনানি করেন।

আইনজীবীদের তথ্যমতে, ঘূর্ণিঝড় সিডরে বাড়িঘর হারিয়ে স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার চরগুনি গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে ওঠেন শহীদ। শ্বশুড়বাড়িতে ২০০৮ সালের ১৫ মে শহীদের বিরুদ্ধে টাকা চুরির অভিযোগে তোলেন তাঁর আত্মীয়েরা। এরপর মারধরের শিকার হন তিনি। পরবর্তী সময়ে একই বছরের ২২ মে রাতে শিশু শাকিলকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে বেরিয়ে যান শহীদ। একই গ্রামের আউলিয়াপুর খালে শিশুটিকে ফেলে দেন শহীদ। সাঁতার না জানায় শিশুটি ডুবে মারা যায়। পরদিন শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ২০০৮ সালের ২৩ মে শহীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন তাঁর শ্বশুর। সেদিনই গ্রেপ্তার হন তিনি। এ মামলায় ২০০৯ সালের ১৪ মে পটুয়াখালীর আদালতের দেওয়া রায়ে শহীদের মৃত্যুদণ্ড হয়। পরে ২০১৪ সালের ১৮ জুন হাইকোর্ট শহীদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় দেন। এর বিরুদ্ধে জেল আপিল করেন শহীদ, যার ওপর আজ রায় দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন