বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রিটটি নিষ্পত্তি করে দেওয়া রায়ে আদালত বলেন, সন্তানের অভিভাবকত্ব নিয়ে পারিবারিক আদালতে মামলা হচ্ছে। তবে দুই থেকে তিন বছর পার হলেও মামলা নিষ্পত্তি হচ্ছে না, যা দুঃখ ও হতাশাজনক।

শুনানিতে পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশের ‘পারিবারিক আদালত অবমাননা’ সংক্রান্ত আইনের ১৯ ধারার প্রসঙ্গ ওঠে। এতে পারিবারিক আদালতের আদেশ অমান্য করলে ২০০ টাকা জরিমানার কথা বলা আছে।

হাইকোর্ট বলেছেন, ২০০ টাকা জরিমানা অপ্রতুল। আইন কঠোরভাবে অনুসরণে বিধানটি সংশোধনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নেবে বলে অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন আদালত।

আইনজীবীর তথ্যমতে, রংপুরের মেয়ে ও রাজশাহীর এক ছেলের ২০১১ সালে বিয়ে হয়। ২০১৫ সালে তাঁদের কন্যাশিশুর জন্ম হয়। ২০১৮ সালে ওই দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এরপর শিশুটি তার বাবার কাছে ছিল। এ অবস্থায় শিশুটিকে ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট করেন শিশুটির মা। এর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন। এর আগে শিশুটির মা পারিবারিক আদালতে একটি মামলা করেন।
হাইকোর্টের আদেশের পর শিশুটিকে আদালতে হাজির করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় মায়ের সঙ্গে শিশুটির সময় কাটায়। শুনানি শেষে আদালত আজ রায় দেন। পারিবারিক আদালতে শিশুটির মায়ের করা মামলাটি ৩১ মার্চের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতে শিশুটির মায়ের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোতাহার হোসেন। অন্যদিকে শিশুর বাবার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী ফাওজিয়া করিম ফিরোজ ও কাজী মারুফুল আলম।

পরে আইনজীবী ফাওজিয়া করিম ফিরোজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘শিশুটির বয়স এখন প্রায় ছয় বছর। বাবার সঙ্গে শিশুটি রাজশাহীতে থাকে। মা রাজশাহী গিয়ে শিশুটিকে দেখতে ও সময় কাটাতে পারবে বলেছেন হাইকোর্ট। সংশ্লিষ্ট পুলিশ কমিশনারকে এ বিষয়ে সহায়তা দিতে বলা হয়েছে।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন