শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে গণতন্ত্রকে সুরক্ষা এবং দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা, যাতে জনগণ ন্যায়বিচার পায়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার সব শ্রেণি–পেশার মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিতের চেষ্টা করে যাচ্ছে।

বিচার বিভাগের সার্বিক উন্নয়নের জন্য বর্তমান সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্যাতিত নারী, শিশু ও অ্যাসিড হামলার শিকারসহ সকলে যাতে সুবিচার পায়, আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।’

সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ বাস্তবায়নের জন্য গৃহীত পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার বিচার বিভাগের জন্য আলাদা বাজেট বরাদ্দ করেছে। বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার জন্য প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

সরকারপ্রধান বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর বিচার বিভাগকে আরও শক্তিশালী করতে, সংবিধানের কার্যকারিতা নিশ্চিতে উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

দেশের সংবিধান লঙ্ঘন করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকারী সরকারগুলোকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেওয়ার জন্য বিচারপতিদের সাধুবাদ জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, এই রায়ে বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষিত হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের নবনির্মিত ১২ তলা ভবনের একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এবং অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দীন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. গোলাম সারোয়ার স্বাগত বক্তব্য দেন। সাবেক প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ও বিশিষ্ট আইনজীবীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন