বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অন্ধ দলীয় রাজনীতির জন্য মুক্তচিন্তা আর বিবেকের স্বচ্ছতাকে বিসর্জন দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, এমন অভিযোগও রয়েছে।

আখতারুজ্জামান: ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা একটি জরুরি বিষয়। এটি না থাকলে সমাজ বিকশিত হয় না। এসব মতকে একেবারে অবজ্ঞা করব না। তবে এসব বক্তব্যে বস্তুনিষ্ঠতা কতটুকু আছে, সেটি দেখতে হবে। সমালোচক বন্ধুদের আমি ধন্যবাদ দিই। তাঁরা আমাদের সংশোধনের সুযোগ দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কখনো অন্ধবিশ্বাসের জায়গা নয়। বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তচিন্তা ও বিতর্কের জায়গা।

দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে উপাচার্য নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগে দলীয় বিবেচনা মুখ্য হয়ে ওঠায় ক্ষমতার সেবা করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বড় কাজ হয়ে উঠছে কি?

আখতারুজ্জামান: দলীয় বিবেচনায় কোনো শিক্ষক নিয়োগ হয় না, হয় মেধার ভিত্তিতে। আমার দৃষ্টিভঙ্গিতে সব সময় একটি বিষয়টি কাজ করে যে সেরা ছাত্রটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবে। এটি আমি খুব শক্তভাবে ধারণ করি।

কোন বিবেচনায় কীভাবে উপাচার্য নিয়োগের কাজটি করা হয়, এর উত্তর সরকারপক্ষই ভালো বলতে পারবে। কারণ, উপাচার্য নিয়োগ পেতে দরখাস্ত করেন না। কিন্তু যখন কেউ উপাচার্য পদে নিয়োগ লাভ করবেন, তখন তিনি আর ব্যক্তি নন, প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্বকারী। আইন অনুসরণ করে প্রতিষ্ঠান পরিচালনাই প্রতিষ্ঠানপ্রধান হিসেবে উপাচার্যের কাজ। এর কোনো ধরনের ব্যত্যয় একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন