রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক চাপে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বকেয়া বিল আদায় করতে পারছে না বিদ্যুতের পাঁচটি কোম্পানি। এই বাস্তবতার মধ্যে সরকার আইন করছে যে, বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিলে কেউ আদালতে যেতে পারবেন না।
প্রশ্ন উঠেছে, যেখানে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কাছে বকেয়া থাকা দেড় হাজার কোটি টাকা আদায় করতে বিদ্যুৎ বিভাগ হিমশিম খাচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে, সেখানে নতুন আইন করে এবং আদালতে যাওয়ার সুযোগ বন্ধ করে লাভ কতটা হবে?
বিদ্যুৎ আইন, ২০১৬-এর খসড়ার ৬০(৩) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী এই আইনের আওতায় নেওয়া কোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আদালতে মামলা করতে পারবেন না। বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন বা পুনরায় সংযোগ দেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগকে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এ মুহূর্তে দেশে ব্যক্তিপর্যায়ে গ্রাহকদের বকেয়া খুবই কম, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) কাছে যা প্রায় ১ শতাংশ। ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) মোট বকেয়ার মধ্যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ের বকেয়া ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ।
বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের গত ১৪ জুনের হিসাব অনুযায়ী, মোট বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণ ৪ হাজার ৯২৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের ৪০টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাছেই বকেয়া ১ হাজার ৫৫৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। এ ছাড়া আছে বিলম্ব মাশুল, মামলায় আটকে থাকা বিল এবং হারিয়ে যাওয়া গ্রাহকসহ বিভিন্ন খাত। সবকিছুর মধ্যেও সাধারণ গ্রাহকদের বিল পরিশোধের বিষয়টি সন্তোষজনক বলে মত দিচ্ছে বিভিন্ন কোম্পানি।
সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিল শোধ না করা প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ প্রথম আলোকে বলেন, আইনটি সব ধরনের গ্রাহকের জন্য। অতএব, সরকারি প্রতিষ্ঠানও আইনের প্রয়োগ থেকে বাদ পড়বে না। তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগে বকেয়ার পাহাড় জমেছে। বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলে যাঁদের বকেয়া বিল বেশি, তাঁরা আদালতে চলে যান এবং স্থগিতাদেশ নিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে থাকেন। এ ধরনের মামলার সংখ্যাও এখন অসংখ্য। তিনি আরও বলেন, আইনটি সব গ্রাহকের জন্য প্রযোজ্য হবে।
তবে আইনের এই ধারা প্রসঙ্গে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ম তামিম প্রথম আলোকে বলেন, কিছু মানুষ বা প্রতিষ্ঠানের জন্য এই আইন করা হলেও তা সবার জন্য প্রযোজ্য হবে এবং আইনটির অপব্যবহারের আশঙ্কা থাকবে। তাঁর মতে, আদালতে যাওয়ার সুযোগ যেকোনো নাগরিকের জন্য রাখতেই হবে। আইনে এটা বলা যেতে পারে যে, বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর কেউ মামলা করলে তা নিষ্পত্তির আগে সংযোগ দেওয়া হবে না। এটা করা হলে যাঁরা আদালতে যাচ্ছেন, তাঁরা আদালতে যাওয়ার আগে সাতবার ভাববেন।
বিদ্যুতের পাঁচটি কোম্পানির মধ্যে তিনটির সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, ব্যক্তি খাতের শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কাছেও আগের মতো বড় অঙ্কের বকেয়া থাকে না। এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলো নিজেরাই বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। অনেকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ভয়ে আগের চেয়ে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল দেয়। কিছু প্রতিষ্ঠানের বিল বকেয়া আছে মামলা-মোকদ্দমার কারণে, কেউ কেউ কিস্তি করে বকেয়া পরিশোধ করছে। কিন্তু সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিল আদায় করতে গিয়ে কোম্পানিগুলো হিমশিম খাচ্ছে।
সেবা প্রতিষ্ঠানের বকেয়া বেশি: সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বিল বকেয়া হওয়ার মূল কারণ আমলাতান্ত্রিক জটিলতা। গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, গণপূর্ত বিভাগ সরকারের বড় বড় স্থাপনা দেখভাল করে। ওই বিভাগ বিদ্যুৎ উৎপাদন বা বিতরণ করে না। কিন্তু বিল পরিশোধের দায়িত্ব তাদের। এই বিল পরিশোধের জন্য বিল তৈরি করা থেকে শুরু করে সেটি পরিশোধ পর্যন্ত অর্থ মন্ত্রণালয়সহ বেশ কয়েকটি স্তরে অনুমোদন নিতে হয়। যেহেতু সরকারি টাকা সরকারি প্রতিষ্ঠানে যাবে, এ জন্য বিভিন্ন স্তরে ফাইলটি থেমে থেমে এগোয়। গত জুন পর্যন্ত গণপূর্ত বিভাগের কাছে ডিপিডিসির পাওনা ছিল ৬৮ কোটি টাকা।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) কাছে ডিপিডিসির পাওনা রয়েছে ৯৩ কোটি টাকা। গত ৩০ জুন পর্যন্ত ডিএসসিসি ৮ কোটি ৩১ লাখ টাকা পরিশোধ করেছে। বিল পরিশোধ নিয়ে ডিএসসিসি ও ডিপিডিসির মধ্যে দেনদরবার চলছে।
এ বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ঢাকা ওয়াসার কাছে বিদ্যুৎ বিল পাওনা রয়েছে ২০০ কোটি টাকার ওপরে। ডিপিডিসি কিছু সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার পর ১৬২ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে ওয়াসা, বাকি টাকা আদায়ের চেষ্টা করছে ডিপিডিসি।
বড় অঙ্কের বকেয়া বিল রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের কাছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিপিডিসির একজন কর্মকর্তা বলেন, সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলে হাসপাতালে রোগীর ক্ষতি হবে, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা ক্ষিপ্ত হবেন, পানির পাম্প বন্ধ হলে নগরবাসী কষ্ট পাবে—এমন বাস্তবতা সামনে এনে সহানুভূতি আদায় করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে, তাতে এসব দেখার সুযোগ আর থাকবে না।
আদালতে না যাওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন: আদালতে যাওয়ার সুযোগ বন্ধের বিপক্ষে মত দিয়েছেন আইনজ্ঞরাও। তাঁরা বলছেন, যেকোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার সুযোগ রাখতে হবে। এটা যেকোনো নাগরিকের সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকার।
এ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শাহদীন মালিক প্রথম আলোকে বলেন, সংবিধান অনুযায়ী আদালতে যাওয়া এবং আইনের আশ্রয় নেওয়াটা একজন নাগরিকের অধিকার। যাঁরা আইনগুলো করছেন, তাঁদের হয়তো সংবিধান ও আইন সম্পর্কে জ্ঞানের স্বল্পতা বা একধরনের অস্বচ্ছতা আছে। তিনি মনে করেন, আইনের এই ধারা আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হলে তা বাতিল হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের দুর্বল ও বিতর্কিত বিধানসংবলিত আইন জাতীয় সংসদে পাস করালে সংসদেরই ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক প্রথম আলোকে বলেন, এমনটি হওয়ার কথা নয়। আইনটি ভেটিংয়ের (মতামত) জন্য মন্ত্রণালয়ে গেলে তিনি পর্যালোচনা করে দেখবেন।
বিল আদায়কারী শাস্তির আওতায়: খসড়া আইনে বিদ্যুৎ বিল আদায়কারীকে শাস্তির আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে। বিল আদায় করতে না পারলে একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর এর দায়দায়িত্ব আদায়কারীর ওপর বর্তাবে।
বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ বিভাগের কিছু লোক প্রভাবশালী বা দুষ্টু প্রকৃতির গ্রাহকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সুবিধা নেন, নানা রকম ফাঁকফোকর বের করে দিয়ে তাঁকে সহায়তা করেন।
এই পরিপ্রেক্ষিতে আইনের ২০(১) ধারায় বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ বিল না দিলে নোটিশ দিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা যাবে। বিল প্রাপ্যতার তারিখ থেকে তিন বছর পর্যন্ত বিল দাবি করা যাবে। এরপর আর তা আদায়যোগ্য হবে না। এ জন্য গ্রাহকের সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা যাবে না।
আইনের ২০(৩) ধারায় আরও বলা হয়েছে, অনাদায়ি পাওনার দায়দায়িত্ব বিল তৈরি ও আদায়ের সঙ্গে জড়িত কর্মচারীদের ওপর বর্তাবে। এ প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বকেয়ার বিষয়টি চেপে রাখেন। সঠিক তথ্য প্রকাশ করেন না এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।
অধ্যাপক ম তামিম বলেন, চাকরিবিধিতে যা আছে, তা আইনে উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। যদি কোনো কর্মচারী তাঁর দায়িত্ব ঠিকমতো পালন না করেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। তাঁকে চাকরিচ্যুতও করা যেতে পারে। এ বিষয়টি আইনে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত নয় বলে মত দেন তিনি।
সরকারের কাছে পাওনা দেড় হাজার কোটি টাকা: বিদ্যুতের পাঁচটি কোম্পানি সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বকেয়া আদায় করতে পারছে না। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বকেয়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে, ৭৭৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা।
বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, গত মার্চ পর্যন্ত সরকারের কাছে বিদ্যুতের পাঁচটি প্রতিষ্ঠান—বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো), পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (পবিবো), ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি), ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) ও ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) পাওনা দেড় হাজার কোটি টাকার ওপরে। এর মধ্যে বিউবোর পাওনা ৭২২ কোটি, পবিবোর পাওনা ৮৪ কোটি, ডিপিডিসির পাওনা ৪৯৬ কোটি, ডেসকোর পাওনা ১২৫ কোটি ও ওজোপাডিকোর পাওনা ১২৫ কোটি টাকা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মন্ত্রী প্রথম আলোকে বলেন, সরকারের এক মন্ত্রণালয়ের টাকা আরেক মন্ত্রণালয় পাবে। এটা অনেক সময় গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় না। তবে এর ফলে অভ্যাস খারাপ হয়, বিদ্যুৎ বিভাগও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ম তামিম বলেন, এই মনোভাব খুবই খারাপ। সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এমন মনোভাব থাকলে অন্যদের মধ্যেও তা সৃষ্টি হতে পারে।
বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ভিত্তিক বকেয়া পাওনার মধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পরই আছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়, পাওনার পরিমাণ ২০৮ কোটি টাকা। এ ছাড়া গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে ৮৫ কোটি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে ৭৯ কোটি, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের কাছে ৭৪ কোটি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে ৫৭ কোটি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে ৫৩ কোটি, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কাছে ৩৮ কোটি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কাছে ২২ কোটি, রেল মন্ত্রণালয়ের কাছে ১৯ কোটি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে ১৮ কোটি, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১৩ কোটি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাছে ১১ কোটি, শিল্প মন্ত্রণালয়ের কাছে ১০ কোটি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে ৯ কোটি এবং আইন মন্ত্রণালয়ের কাছে ৭ কোটি টাকা বিল বকেয়া আছে।
চুরি ঠেকানোর উদ্যোগে ধীরগতি: আগামী পাঁচ বছরে (২০১৬-২১ সাল) দেশে ১ কোটি ৩২ লাখ ৩৬ হাজার প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে সরকার। এ উদ্যোগ নেওয়া হয় ২০০৯-১০ সালে। এখন পর্যন্ত সরকার এ-সংক্রান্ত অন্তত ছয়টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে, যার মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ১৫০ কোটি টাকার মতো। কিন্তু বিতরণ কোম্পানিগুলো এখন পর্যন্ত এর ১ শতাংশ অর্থ ব্যয় করতে পারেনি।
এ প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, চেষ্টা করে এ পর্যন্ত মাত্র নয় লাখ প্রি-পেইড মিটার দেওয়া গেছে। চুরি বন্ধ হয়ে যাবে বলে এই উদ্যোগ যাতে বাস্তবায়িত না হয়, সে জন্য ভেতর থেকে কারও কারও আপত্তি আছে।
ট্রেড ইউনিয়ন নিষিদ্ধের প্রস্তাব বাতিল: এদিকে পিডিবির বিতরণ বিভাগের আওতাধীন রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের সমন্বয়ে নতুন একটি কোম্পানি গঠনের বিরোধিতা করে শ্রমিক-কর্মচারী-কর্মকর্তারা একযোগে আন্দোলন শুরু করেছেন। তাতে সংস্থার দৈনন্দিন কাজকর্ম মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে।
আইনের খসড়ায় ট্রেড ইউনিয়ন নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছিল। তবে মন্ত্রিসভার গত বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনার পর প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়টি আগের মতোই রেখে আইনটির খসড়া অনুমোদনের নির্দেশ দিয়েছেন।