বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইডিসিএল সূত্রে জানা যায়, চাহিদা থাকলেও প্রায় ৬০ বছরের পুরোনো তেজগাঁওয়ের কারখানাটি জমির স্বল্পতা এবং সরকারের নীতিমালার কারণে সম্প্রসারণ করা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সিজিএমপি অনুসরণ করে গুণগত মানের ওষুধ উৎপাদন ও ওষুধ উৎপাদনে সরকারি খাত স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার জন্য কারখানা স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সভাশেষে পরিকল্পনা কমিশনের আর্থসামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) নাসিমা বেগম প্রথম আলোকে বলেন, সরকারের প্রতিষ্ঠানটির জায়গা ঢাকায় হচ্ছিল না। তাই মানিকগঞ্জে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব এসেছে। এ ছাড়া প্ল্যান্টটিতে আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে। প্রকল্পটি যাচাই-বাছাই হচ্ছে। স্থানান্তরের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে।

দেশের অভ্যন্তরীণ ওষুধের চাহিদা পূরণ এবং বিদেশে ওষুধ রপ্তানির লক্ষ্যে ১৯৮৩ সালে ইডিসিএল প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ঢাকা, বগুড়া ও গোপালগঞ্জের তিনটি ওষুধ উৎপাদনকারী ইউনিট থেকে সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোর (সিএমএস) ও স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ওষুধ সরবরাহ করে। এ ছাড়া ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আইসিডিডিআরবি ইডিসিএল থেকে ওষুধ কিনে থাকে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন