সরু সড়কে থেমে থেমে চলে বাস

১১০ কিলোমিটার দীর্ঘ কিশোরগঞ্জ-পাকুন্দিয়া-কাপাসিয়া-ঢাকা সড়কের ৪৫ কিলোমিটার অত্যন্ত অপ্রশস্ত। কিশোরগঞ্জ থেকে পাকুন্দিয়ার টোক পর্যন্ত এই ৪৫ কিলোমিটারের অন্তত ৫০টি স্থানে বিপরীত দিক থেকে আসা যানকে পাশ দিতে গিয়ে বাসসহ বড় যানবাহনগুলোকে থামতে হচ্ছে। ফলে এই সড়ক দিয়ে গন্তব্যে যেতে বিভিন্ন যানবাহনের অতিরিক্ত দুই ঘণ্টা সময় বেশি লাগছে।
পরিবহন মালিক সমিতি, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকায় সড়কপথে যাতায়াত করার সবচেয়ে সহজ পথ হচ্ছে এই সড়ক। এই সড়ক দিয়ে কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার। অন্যদিকে ভৈরব দিয়ে সড়কপথে ঢাকার দূরত্ব ১৪৫ কিলোমিটার। দূরত্ব কম হওয়ায় কিশোরগঞ্জ-পাকুন্দিয়া-কাপাসিয়া-ঢাকাপথে যাতায়াতে যানবাহনের জ্বালানি সাশ্রয় হয়। পাশাপাশি সময়ও কম লাগে। তাই গত কয়েক বছর এ সড়কটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। প্রতিদিন পাঁচ শতাধিক যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাক এই পথে যাতায়াত করছে। কিন্তু সড়কের কিশোরগঞ্জ থেকে পাকুন্দিয়ার টোক পর্যন্ত ৪৫ কিলোমিটার অংশ মাত্র ১২ ফুট চওড়া। সড়কের ৫০টি স্থানে অন্য যানকে পাশ দিতে গিয়ে বাস-ট্রাকসহ বড় যানবাহনকে থামতে হয়। ফলে গন্তব্যে পৌঁছাতে অতিরিক্ত দুই-তিন ঘণ্টা সময় বেশি লাগছে।
কিশোরগঞ্জ মালিক পরিবহন সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন মানিক জানান, প্রায় এক দশক ধরে সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রীবাহী বাস এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে। সড়ক অপ্রশস্ত হওয়ার কারণে বাসগুলো স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারছে না। দ্রুত সড়কটি প্রশস্ত করা জরুরি। এ বিষয়ে তাঁরা এলজিইডি ও সওজ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সওজের আওতাভুক্ত এই সড়কটি ২৪ ফুট প্রশস্ত করার জন্য একটি প্রকল্প তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।