বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রিয়াজ উদ্দিন আহমেদের ছেলে মাসরুর রিয়াজ প্রথম আলোকে জানান, ১৬ ডিসেম্বর থেকে রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতালে ভর্তির পর তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তিনি আজ বেলা দেড়টার দিকে মারা যান।

মাসরুর রিয়াজ বলেন, আগামীকাল প্রেসক্লাবে নেওয়া হবে মরদেহ। বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে রিয়াজ উদ্দিন আহমেদকে।

রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস এবং দ্য নিউজ টুডে পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। এ ছাড়া তিনি জাতীয় প্রেসক্লাবের প্রেসিডেন্ট এবং অবিভক্ত ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সেক্রেটারি এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন। সাংবাদিকতায় গৌরবময় অবদানের জন্য রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ ১৯৯৩ সালে একুশে পদক লাভ করেন।

রিয়াজ উদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান। এক বিবৃতিতে তাঁরা বলেছেন, প্রখ্যাত সাংবাদিক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ ছিলেন সাংবাদিক সমাজের অভিভাবক।

শোক জানিয়েছে সংবাদপত্রমালিকদের সংগঠন নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)। নোয়াবের সভাপতি এ কে আজাদ ও সহসভাপতি শহীদুল্লাহ খান এক বিবৃতিতে বলেন, পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত থেকে এই পেশার উৎকর্ষে অনবদ্য অবদান রেখে গেছেন। সত্যনিষ্ঠ, প্রজ্ঞাবান এই সম্পাদকের মৃত্যুতে দেশের সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্রজগতের অপূরণীয় ক্ষতি হলো।

রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ সম্পাদক পরিষদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে পরিষদের সভাপতি মাহ্ফুজ আনাম ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ এক বিবৃতিতে বলেছেন, স্বাধীনতা–উত্তর বাংলাদেশে স্বাধীন সাংবাদিকতাকে এগিয়ে নিতে যাঁরা ভূমিকা রেখেছেন, রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ তাঁদের অন্যতম। এডিটরস গিল্ডও শোক প্রকাশ জানিয়েছে।

এই সাংবাদিকের মৃত্যুতে আরও শোক প্রকাশ করেছেন বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুক ও মহাসচিব দীপ আজাদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান এবং বিএফইউজের আরেকাংশের সভাপতি এম আবদুল্লাহ ও মহাসচিব নুরুল আমিন এবং ডিইউজের আরেকাংশের সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন