বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিপিজের এশিয়া প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর স্টিভেন বাটলারের পাঠানো চিঠিটি তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতির অভিযোগসহ স্বাস্থ্যসেবা খাতের বিষয়াবলি নিয়ে প্রতিবেদন করা পুরস্কারপ্রাপ্ত অনুসন্ধানী সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে গত ১৭ মে গ্রেপ্তার করে কর্তৃপক্ষ।
পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে যাওয়ার পর ওই দিন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে রোজিনা ইসলামকে পাঁচ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আটকে রাখা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ঔপনিবেশিক যুগের অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা করা হয়। সাত দিন কারাবাসের পর জামিনে মুক্ত হন রোজিনা ইসলাম।

চিঠিতে সিপিজে বলেছে, রোজিনা ইসলামের প্রতি বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের আচরণ নিয়ে তাদের অনেকগুলো বিষয়ে উদ্বেগ রয়েছে। রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে যে আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা কেবল বাংলাদেশে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বদনাম করবে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি প্রকাশের জন্য পরিচিত একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য এ আইনের প্রয়োগ, সে বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত করবে।

এ ছাড়া রোজিনা ইসলামকে অন্যায়ভাবে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ফেরত দিতে অস্বীকার করায় তাঁর পক্ষে সাংবাদিক হিসেবে কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। তাঁর মুঠোফোন জব্দ করার মধ্য দিয়ে তাঁর কাজে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়েছে এবং এটা সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করে। এতে তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তাও ঝুঁকিতে পড়ে যায়। তা ছাড়া পাসপোর্ট জব্দ করায় বিদেশে স্বামীর প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য তাঁর সঙ্গে যাওয়াটা রোজিনার জন্য অসম্ভব হয়ে উঠেছে।

সিপিজে বলেছে, এটা পুরোপুরি হয়রানি এবং এটি বন্ধ করা দরকার। আমরা রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার এবং অবিলম্বে তাঁর ডকুমেন্টস ও ডিভাইসগুলো ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। যেসব সাংবাদিক কেবল তাঁদের কাজ করছেন, তাঁদের জন্য বাধা সৃষ্টি করা বাংলাদেশ সরকারের উচিত নয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন