default-image

দুদকের বরখাস্ত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির ও পুলিশের বরখাস্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের মামলায় আদালতে আরও দুজন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সাক্ষ্য দেন ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেলের (এনটিএমসি) কর্মকর্তা মেজর নাহিদ আল আমিন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাযেম আহমেদ।

এ দুজনের সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে এ মামলার ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে আটজনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হলো। আগামী ২ নভেম্বর মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ঠিক করেছেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪–এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম। সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামি মিজানুর ও এনামুল বাছিরকে আদালতে হাজির করা হয়।

বিজ্ঞাপন

এনটিএমসির কর্মকর্তা মেজর নাহিদ আল আমিন আদালতকে বলেন, গত বছরের ১৬ জুন দুদকের পরিচালক ফানাফিল্লাহ এক চিঠি দিয়ে মিজানুর রহমান ও এনামুল বাছিরের মধ্যে কথোপকথন সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ হিসেবে মতামত জানতে চান। পরে ওই বছরের ১৭ জুন মতামত দেওয়ার জন্য এনটিএমসি একটি বোর্ড গঠন করে। বোর্ডের সদস্য ছিলেন লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোতাহার হোসেন সিদ্দিকী, মেজর নাহিদুল আমিন ও নাযেম আহমেদ। দুদক ছয়টি অডিও ক্লিপ তাঁদের সরবরাহ করে। ওই অডিও ক্লিপের বায়োমেট্রিক ম্যাচিং করা হয়। দুই আসামির কণ্ঠস্বর ও ইউটিউব থেকে তাঁদের সাক্ষাৎকার সংগ্রহ করা হয়। এসব তথ্য রাশিয়ান একটি সফটওয়্যার দিয়ে বায়োমেট্রিক ম্যাচিং করা হয়। সব তথ্য একত্র করে গত বছরের ৩ জুলাই দুদকে ১২ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন পাঠানো হয়।

নাহিদ আল-আমিন ও নাযেম আহমেদের সাক্ষ্য দেওয়া শেষ হলে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাঁদের জেরা করেন।

এর আগে গত ১৮ মার্চ খন্দকার এনামুল বাছির ও মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। ঘুষ লেনদেনের মামলায় গত ১৯ জানুয়ারি তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। গত ১৯ আগস্ট এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। মামলার বাদী দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ সেদিন আদালতে বলেন, খন্দকার এনামুল বাছির দুদকের কর্মকর্তা হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডিআইজি মিজানুর রহমানকে অবৈধ সুবিধা দেওয়ার জন্য ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেন।

মন্তব্য পড়ুন 0