বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সূত্র জানায়, সাংসদ থাকাকালে মিজানুর ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর দুদকের নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ১৯ নভেম্বর সম্পদের হিসাববিবরণী জমা দেন মিজানুর।

তবে অনুসন্ধানে ২০ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করা এবং ১ কোটি ৫৮ লাখ ৫৭ হাজার ৯৮১ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পায় দুদক।

অভিযোগ অনুসন্ধানের পর ২০১৯ সালের ৭ আগস্ট মিজানুরের বিরুদ্ধে দুদকের পরিচালক মো. মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত মাসে অভিযোগপত্র জমা দেন তিনি। ১০ অক্টোবর মামলার অভিযোগপত্র আদালতের গ্রহণ করার তারিখ ধার্য রয়েছে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন