বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ শনিবার বিকেলে র‍্যাব সদর দপ্তরে চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। আগামীকাল রোববার দস্যুমুক্ত সুন্দরবনের তৃতীয় বর্ষপূর্তি। এ উপলক্ষে বাগেরহাটের রামপালে আত্মসমর্পণকৃত জলদস্যুদের পুনর্বাসনে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, সুন্দরবন উপকূলে আশির দশকে মানুষ যেতে পারত না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে একটি টাস্কফোর্স গঠন করার পর সে অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরুর পর জলদস্যুরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন। তিনি বলেন, র‍্যাবের সতর্ক অবস্থানের কারণে সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটক বাড়ছে, মানুষের গমনাগমন বেড়েছে, জলদস্যুতা শূন্যের কোঠায় নেমেছে। বাঘ ও হরিণের সংখ্যাও বেড়েছে। আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, ২০১৬ সালের ৩১ মে থেকে ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি সুন্দরবন জলদস্যুমুক্ত করার কাজ শুরু করে র‍্যাব। এই সময়ে ৪২৬টি অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদসহ ৩২টি দস্যু বাহিনীর ৩২৮ জন সদস্য র‌্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। সম্পূর্ণভাবে জলদস্যুমুক্ত হওয়ার পর ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করেন। তিন বছর ধরে সেই সাফল্যকে র‌্যাব ধরে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন