বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে হরিণের প্রায় ১৬০ কেজি মাংস, ২০০ মিটার হরিণ ধরার ফাঁদ, ৪টি হরিণের শিং, ১টি তক্ষক ও ৪টি ডিঙিনৌকা উদ্ধার করা হয়েছে। মাছ ও কাঁকড়া ধরার পাসগুলো বাগেরহাটের চাঁদপাই স্টেশন থেকে অনুমোদিত হলেও তা মেয়াদোত্তীর্ণ বলে জানিয়েছে পশ্চিম বন বিভাগ।

আটক ব্যক্তিদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী চাঁদপাই রেঞ্জের চরপুটিয়া টহল ফাঁড়ির ৯ নম্বর কম্পার্টমেন্ট এলাকা থেকে হরিণ শিকার ও জবাইয়ের আলামত পাওয়া গেছে।

কালাবগী স্টেশনের রাসপূজা বিশেষ টহল দল নিয়ে এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন খুলনা রেঞ্জের ভদ্রা টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামাল পাশা।

default-image

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহসিন হোসেন জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকেলে আটক ব্যক্তিদের খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১–এ হাজির করা হয়েছে। চোরাই শিকারিদের অধিকাংশের বাড়ি বাগেরহাটের রামপালে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন