default-image

প্রথম আলো: বাংলাদেশে ঠিক কী লক্ষ্য পূরণের জন্য মানুষকে আপনারা টিকা দিতে যাচ্ছেন?

মীরজাদী সেব্রিনা: কোভিড-১৯ টিকা এখন একটি বৈশ্বিক উদ্যোগ। সব দেশের সব মানুষকে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ আছে। মহামারি মোকাবিলায় টিকা গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। টিকা দেওয়া থাকলে মানুষ সংক্রমিত হবে না। একসময় মহামারির অবসান হবে। মহামারি অবসানের উদ্দেশ্যেই এই টিকা দেওয়া।

এখন যে পরিমাণে টিকা দেওয়া হচ্ছে, তাতে এই উদ্দেশ্য সফল হবে?

মীরজাদী সেব্রিনা: এ পর্যন্ত যেসব টিকা অনুমোদন পেয়েছে এবং যেগুলো অদূর ভবিষ্যতে অনুমোদন পেতে যাচ্ছে, সেগুলো কত দিন সুরক্ষা দেবে, তা জানা নেই। টিকার মাধ্যমে যদি জীবনভর সুরক্ষা পাওয়া না যায়, তাহলে সংক্রমণের ঝুঁকি থেকেই যায়। নিশ্চয়ই টিকার উন্নয়নে বিজ্ঞানীদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এখন যে টিকা পাওয়া যাবে, তা একধরনের সুরক্ষা দেবে। এর সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়টিও অব্যাহত রাখতে হবে। একদিন নিশ্চয়ই সেই টিকা আসবে, যা সারা জীবন সুরক্ষা দেবে।

বিজ্ঞাপন

কারা আগে টিকা পাবেন, সেই অগ্রাধিকারের তালিকা হয়েছে। তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে কোনো নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে?

মীরজাদী সেব্রিনা: সব মানুষকে একসঙ্গে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে না। এ ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি গাইডলাইন আছে। সেখানে ন্যায্যতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। আমরা সেই গাইডলাইন অনুসরণ করেছি। অগ্রাধিকারের তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে নিট্যাগ (জাতীয় টিকাদান কারিগরি পরামর্শক দল) পরামর্শ দিয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন। কোভিড-১৯ টিকাবিষয়ক কোর কমিটি এই তালিকা তৈরির জন্য একটি উপকমিটি তৈরি করে দেয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা ও সবার পরামর্শের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার তালিকা তৈরি হয়েছে।

টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন বিষয়টিকে আপনার কাছে চ্যালেঞ্জিং মনে হচ্ছে?

মীরজাদী সেব্রিনা: সবাইকে একসঙ্গে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে না, এটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আরও কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। যখন সীমিত সংখ্যায় টিকা পাব, তখন যাঁদের সেই টিকা দেওয়া হবে, তাঁদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করাও বড় চ্যালেঞ্জ। অবশ্য এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য আইসিটি বিভাগের সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে, সমাধান বের করার চেষ্টা হচ্ছে। আমাদের দেশে দীর্ঘদিন শিশুদের টিকা দেওয়ার চর্চা থাকায় একধরনের অভ্যস্ততা আছে। মাত্র একটি-দুটি ক্ষেত্রে বয়স্করা টিকা নেন। করোনার টিকা মূলত বয়স্কদেরই প্রথমে দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে কয়েক কোটি বয়স্ক মানুষকে টিকা দেওয়ার সময় একটি নতুন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সবাইকেই টিকা দেওয়া হবে, তবে একই সময়ে দেওয়া সম্ভব হবে না। এ জন্য ধৈর্য ধরতে হবে। সব পক্ষের সহযোগিতা থাকলে সুষ্ঠুভাবে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে।

এ ক্ষেত্রে প্রচার-প্রচারণা বড় ভূমিকা রাখতে পারে। আপনারা এখনো সেটা শুরু করেননি। আপনাদের পরিকল্পনা কী?

মীরজাদী সেব্রিনা: টিকা দেওয়া শুরু হওয়ার ১৫ দিন আগে থেকে প্রচার-প্রচারণা শুরু করার পরিকল্পনা আছে। এখনো ঠিক বলা যাচ্ছে না, কবে টিকা আমরা হাতে পাব। টিকা হাতে এলেই এসব শুরু হবে। এ নিয়ে একটি দল কাজ করছে।

করোনার টিকার ক্ষেত্রে টিকাবিরোধী প্রচারণার আশঙ্কা আছে। সরকারের ভাবনা কী?

মীরজাদী সেব্রিনা: বাংলাদেশ টিকাবান্ধব দেশ। বহু বছর ধরে এ দেশের শিশুদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। শিশুদের টিকা দিতে মা-বাবা-অভিভাবকেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে টিকাদান কেন্দ্রে আসেন। টিকার সুফল মানুষ পাচ্ছেন। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি অত্যন্ত সফল কর্মসূচি। বাংলাদেশের টিকা কর্মসূচি বহির্বিশ্বেও প্রশংসা পেয়েছে। সুতরাং কোভিড-১৯ টিকা নিয়ে বিরূপ প্রচার বা অপপ্রচার হবে, এমন আশঙ্কার কারণ নেই।

জরিপে দেখা গেছে, টিকা নেবেন কি না তা নিয়ে ৬৯ শতাংশ ভারতীয় দ্বিধায় আছেন।

মীরজাদী সেব্রিনা: আমাদের দেশের মানুষের টিকার ব্যাপারে আগ্রহ আছে। আগেই বলেছি, বাংলাদেশ টিকাবান্ধব দেশ। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে করোনার টিকা বিষয়ে মানুষের মনোভাব বা দৃষ্টিভঙ্গি জানার চেষ্টা করা হয়নি। কোনো প্রতিষ্ঠান যদি কাজটা করে থাকে, তবে আমরা তা কাজে লাগাতে পারি। অবশ্য করোনা টিকার যোগাযোগবিষয়ক উপকমিটি এ বিষয়ে কাজ করছে। অন্যদিকে টিকা দেওয়ার পর কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তা কীভাবে মোকাবিলা করা হবে, তারও প্রস্তুতি আমরা নিচ্ছি।

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ র‌্যাঙ্কিংয়ে মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশের অবস্থান ২০তম। বাংলাদেশ সত্যি সত্যি ঠিকভাবে মহামারি মোকাবিলা করতে পেরেছে?

মীরজাদী সেব্রিনা: মহামারি মোকাবিলার পূর্ণ প্রস্তুতি বিশ্বের কোনো দেশের ছিল না। কিছু সূচকের ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তুলনা করে ব্লুমবার্গ র‌্যাঙ্কিং করেছে। তুলনায় দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ অনেক ভালো অবস্থানে আছে। আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা ছিল। শুরুর দিকে রোগ শনাক্তকরণ একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। অনেক দেশের সেই সমস্যা ছিল না। কিন্তু এ-ও বলব, আমরা আরও ভালো করতে পারতাম।

স্বাস্থ্য খাতের নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ঠিক কী কারণে মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সাফল্য দেখাতে পেরেছে?

মীরজাদী সেব্রিনা: জনস্বাস্থ্যের বিবেচনায় আমরা এমন কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিলাম, যার কারণে সংক্রমণের গতি কম রাখা সম্ভব হয়েছিল। সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা ১০০ ছাড়ানোর আগেই আমরা লকডাউনের (সাধারণ ছুটি) সিদ্ধান্তে যেতে পেরেছিলাম। এটা বড় ধরনের সিদ্ধান্ত ছিল এবং সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল। অনেক দেশে সংক্রমণ অনেক ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর লকডাউনে গিয়েছিল। টোলারবাগ, শিবচর বা গাইবান্ধায় সীমিত আকারে আমরা যে লকডাউন করেছিলাম, তার সুফল আমরা পেয়েছি। দ্বিতীয় কারণটি হচ্ছে, শুরু থেকে আমরা ‘রিস্ক কমিউনিকেশনে’ (ঝুঁকি যোগাযোগ) ভালো করেছি। নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং, বুলেটিন প্রচার এবং সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রচার হয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশ দীর্ঘদিন ধরে লাগাতারভাবে এই কাজ অব্যাহত রাখতে পারেনি। আমরা সাংবাদিক, বিজ্ঞানী ও জনস্বাস্থ্যবিদদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। দেশের মানুষ আমাদের সঙ্গে ছিল। সাফল্যের পেছনে এগুলো কাজ করেছে।

সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, বাংলাদেশে সংক্রমণ কম। মৃত্যুও কম। কিন্তু এর ব্যাখ্যা অনেকেই দিতে পারছেন না। সরকার কেন এই কৃতিত্ব নিতে চাইছে?

মীরজাদী সেব্রিনা: জীবাণুর ধরন, স্থানীয় মানুষের বৈশিষ্ট্য (হোস্ট ফ্যাক্টর) ও পরিবেশের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে। ভাইরাসের স্ট্রেইন (ধরন) নিয়ে কাজ হচ্ছে, জিনগত বিশ্লেষণ হচ্ছে। তাতে আপাতত গুরুত্বপূর্ণ কিছু দেখা যাচ্ছে না। আমাদের দেশের মানুষের বিশেষ কোনো রোগ প্রতিরোধক্ষমতা আছে কি না, তার কারণে সংক্রমণ কম বা সংক্রমণের তীব্রতা কম হলো কি না, তা নিয়ে গভীর অনুসন্ধান দরকার। এখানে রোদে মানুষ ঘরের বাইরে অনেক ঘোরাঘুরি করে—তার কোনো প্রভাব আছে কি না, তা গবেষণার দাবি রাখে। বস্তি নিয়ে অনেক দুশ্চিন্তা ছিল। কিন্তু এখন বস্তি নিয়ে আর আশঙ্কা নেই। ঠিক সময়ে লকডাউনে যাওয়ার কারণে আমাদের দেশে সংক্রমণ হঠাৎ করে পিক-এ (চূড়ায়) যায়নি। সংক্রমণ হঠাৎ বেশি না হওয়ায় মৃত্যুও তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে। এ সবকিছু মিলে আমাদের পরিস্থিতি ভালো করেছে।

বাংলাদেশ ঠিকভাবে কোয়ারেন্টিন (সঙ্গনিরোধ), কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং (সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিকে খোঁজা), পর্যাপ্তসংখ্যক শনাক্তকরণ পরীক্ষা করাতে পারেনি। প্রায় এক বছর পরও এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সক্ষমতা অর্জন করতে পারল না কেন?

মীরজাদী সেব্রিনা: সক্ষমতা অবশ্যই বেড়েছে। শুরুতে কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ কিটই ছিল না। শুরুতে মাত্র ১টি ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা হতো। এখন ১২০-এর বেশি পরীক্ষাকেন্দ্র। অর্থাৎ রোগ শনাক্তের সক্ষমতা বেড়েছে। বেড়েছে জনবল। শুরুতে কন্ট্যাক্ট ট্রেসিংয়ের জন্য আইইডিসিআরের খুবই সীমিত জনবল ছিল। এখন সারা দেশে ২ হাজার ৭০০ প্রশিক্ষিত জনবল আছে। চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। সীমিত সম্পদ দিয়ে যেভাবে যতটুকু কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা বলবৎ করা যায়, করা হয়েছে।

শুরুর দিকে আইসিডিডিআরবির মতো প্রতিষ্ঠানকে রোগ শনাক্তকরণ পরীক্ষায় যুক্ত করা হয়নি। এটা আপনার সিদ্ধান্ত ছিল। পরীক্ষায় পিছিয়ে থাকার এটি একটি কারণ। আপনার ব্যাখ্যা কী?

মীরজাদী সেব্রিনা: আমরা শুরু থেকেই পরীক্ষার মান এবং ল্যাবের জনবলের সুরক্ষার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছি। আর কোন কোন ল্যাবের সক্ষমতা ছিল, তা আমাদের জানা ছিল। তবে কোন ল্যাব পরীক্ষা করবে, কে করবে না, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার আইইডিসিআরের ছিল না, আমার থাকার তো প্রশ্নই ওঠে না।

আইইডিসিআর এখনো কোনো গবেষণা শেষ করতে পারল না। অথবা যে গবেষণা করছে, তার ফলাফল মহামারি মোকাবিলায় কাজে লাগানো গেল না। কেন?

মীরজাদী সেব্রিনা: আইইডিসিআর কোনো গবেষণা বা বিশেষ বিশ্লেষণ শেষ করতে পারল না, কথাটা ঠিক নয়। আইইডিসিআর জিন বিশ্লেষণের কাজ করেছে, করছে। সেরো-সার্ভে (রক্তের নমুনা সংগ্রহের মাধ্যমে জরিপ) করেছে। অ্যান্টিবডি নিয়ে কাজ শেষ করেছে। মনে রাখতে হবে, গবেষণা করার মতো পর্যাপ্ত জনবল আইইডিসিআরের নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে থেকে সলিডারিটি ট্রায়ালের কাজ করার সব প্রস্তুতি থাকার পরও করা যায়নি। রোহিঙ্গাদের সেরো-সার্ভিলেন্সের কাজ শেষ পর্যায়ে। মৃত্যু পর্যালোচনার কাজও চলছে।

গবেষক ও সাংবাদিকেরা বলে আসছেন, ঠিক তথ্য দেওয়ার ব্যাপারে সরকারের আন্তরিকতা ও সক্ষমতার ঘাটতি আছে।

মীরজাদী সেব্রিনা: মহামারি অনেক বড় ঘটনা। এত বড় ঘটনার তথ্যের উৎস একটি থাকে না। বিভিন্ন দপ্তরের তথ্য, বিভিন্ন সময়ে আসা তথ্যের মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে সমন্বয়ের সমস্যা দেখা দেয়। এ ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতাও আগে আমাদের ছিল না। তবে এ ক্ষেত্রে সক্ষমতা আগের চেয়ে বেড়েছে। আর আন্তরিকতার ঘাটতির প্রশ্নই ওঠে না। প্রতিদিন মহামারির তথ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। ছুটির দিনেও তা বন্ধ থাকছে না।

মহামারির শিক্ষা কোনো কাজে লাগবে? স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রাতিষ্ঠানিক কী উদ্যোগ আছে?

মীরজাদী সেব্রিনা: এই মহামারিতে আমাদের ঘাটতিগুলো ধরা পড়েছে। মহামারি মোকাবিলা করতে গিয়ে স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা বেড়েছে। অনেক ল্যাব তৈরি হয়েছে, আইসিইউ শয্যা বেড়েছে, হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে, অনেক মানুষ প্রশিক্ষণ পেয়েছে। বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় যে দুটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে, তাতে পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা আরও বাড়বে। বেশ কিছু জনবল নিয়োগ হয়েছে। আরও জনবল নিয়োগের প্রস্তাব আছে।

বেশ কিছু দেশ করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় নানা কিছু করেছে। বাংলাদেশ কী করছে?

মীরজাদী সেব্রিনা: আমরা এখন সংক্রমণ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি। সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছি। পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার পাঁচের নিচে আসার একটি প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। সেখান থেকে সংক্রমণ যেন আবার ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে না পড়ে, সেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। যুক্তরাজ্য থেকে আসা মানুষদের কোয়ারেন্টিন শক্ত করা হচ্ছে। আরও দেশের ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য হতে পারে। সংক্রমণ বেশি এমন ছোট জায়গা লকডাউন করা, কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং বাড়ানো হতে পারে। শুরুর দিকের কাজগুলো আরও জোরালো করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

প্রথম আলো: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

মীরজাদী সেব্রিনা: আপনাকেও ধন্যবাদ।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন