বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষিত দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন রক্ষায় অবৈধভাবে নির্মিত সব হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও অন্যান্য বাণিজ্যিক স্থাপনা অপসারণ এবং প্রবাল, কাঁকড়া, শামুক, ঝিনুক, কচ্ছপ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর অনিয়ন্ত্রিত আহরণ বন্ধে ২০০৯ সালে বেলা হাইকোর্টে একটি রিট করে। রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে ২০১১ সালের ২৪ অক্টোবর হাইকোর্ট রায় দেন।

রায়ে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া গড়ে ওঠা সব স্থাপনা ভেঙে ফেলা এবং কাঁকড়া, শামুক, ঝিনুক, কচ্ছপসহ অন্যান্য জলজ প্রাণী সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়। নির্দেশনা বাস্তবায়নে পরিবেশ অধিদপ্তর সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া গড়ে ওঠা অন্য স্থাপনাগুলোর সঙ্গে অবকাশ পর্যটন লিমিটেডের সেন্ট মার্টিন রিসোর্টকেও উচ্ছেদের নোটিশ দেয়।

বেলা জানায়, এ অবস্থায় অবকাশ পর্যটন লিমিটেডের সেন্ট মার্টিন রিসোর্টকে পরিবেশগত ছাড়পত্র দিতে অনলাইনের মাধ্যমে পরিবেশ অধিদপ্তরে আবেদন করা হয়। তবে পর্যাপ্ত তথ্যের অভাবে আবেদনটি বাতিল করে দেয় পরিবেশ অধিদপ্তর।

ছাড়পত্রের জন্য করা আবেদন বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে হাইকোর্টে রিট করে অবকাশ পর্যটন লিমিটেড। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। রুলে পরিবেশ অধিদপ্তরের দেওয়া সেন্ট মার্টিন রিসোর্ট ভেঙে ফেলার নোটিশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে পরিবেশগত ছাড়পত্র দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না—তা জানতে চাওয়া হয়। পরে রিটে পক্ষভুক্ত হয় বেলা। চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ রুল খারিজ করে রায় দেওয়া হলো।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন