default-image

আগামী ১ অক্টোবর থেকে সৌদি আরবে বাণিজ্যিক ফ্লাইটের ল্যান্ডিং পারমিশন পেয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। এ ছাড়া চলতি সেপ্টেম্বর মাসে জেদ্দা ও রিয়াদে ঢাকা থেকে দুটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করবে তারা।

আজ বুধবার এ কথা জানান বিমানের উপমহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ১ অক্টোবর সৌদি আরবের জেদ্দা, রিয়াদ, দাম্মামে বাণিজ্যিক ফ্লাইটের ল্যান্ডিং পারমিশন পেয়েছে। ফ্লাইট শিডিউল পরে জানিয়ে দেওয়া হবে। এ ছাড়া বিমানের গত ১৬ মার্চের জেদ্দায় রিটার্ন টিকিটধারীদের জন্য ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ১৭ মার্চের রিয়াদের রিটার্ন টিকিটধারীদের ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে দুটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।

তাহেরা খন্দকার বলেন, ১৬ ও ১৭ মার্চের রিটার্ন টিকিটধারী যাত্রীদের এই ফ্লাইটে বুকিংয়ের জন্য বিমান সেলস অফিসে টিকিট, পাসপোর্ট, সৌদি আরব নির্ধারিত অ্যাপস অথবা লিংক থেকে অনুমোদন আনুষঙ্গিক কাগজপত্রসহ আগামীকাল ২৪ সেপ্টেম্বর যোগাযোগ করতে হবে। নতুন ফ্লাইট অনুমোদন সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে অন্য যাত্রীদেরও বুকিংয়ের বিষয়ে জানানো হবে। তাই অন্য যাত্রীদের টিকিট কাউন্টারে ভিড় না করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিমানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সৌদি আরব যাওয়ার জন্য কোভিড নেগেটিভ সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক এবং নমুনা সংগ্রহের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সৌদি আরব পৌঁছাতে হবে। এ জন্য সব যাত্রীকে ঢাকা থেকে কোভিড পরীক্ষা করতে হবে। এ ছাড়া বিশেষ ফ্লাইটগুলো ঢাকা থেকেই ছেড়ে যাবে।

১৫ সেপ্টেম্বর শর্ত সাপেক্ষে সৌদি আরব সরকার তাদের দেশে বাণিজ্যিক ফ্লাইটের অনুমোদন দেয়। এরপর বিমান সৌদি আরবের কাছে এবং সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনস বাংলাদেশের কাছে বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন চায়। সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনসের দুটি ফ্লাইটের অনুমোদন দেওয়া হলেও বিমান সেটি পায়নি। পরে বিমান জানায়, ১ অক্টোবর থেকে জেদ্দা ও দাম্মামে তিনটি এবং রিয়াদে দুটি ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিলেও ল্যান্ডিং পারমিশন দেয়নি সৌদি আরব।

এ কারণে টিকিট বিক্রি বন্ধ রাখে বিমান। এতে বিপাকে পড়েন দেশে ছুটি কাটাতে আসা সৌদিপ্রবাসীরা। টানা তিন দিন আন্দোলন ও বিক্ষোভ করেন। তাঁরা জানান, ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সৌদি আরব তাদের ইকামা ও ভিসার মেয়াদ। এর মধ্যে সেখানে যেতে না পারলে চাকরি হারাতে হবে।

মন্তব্য পড়ুন 0