বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১৩টি বেঞ্চের মধ্যে রয়েছেন বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজল সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। বেঞ্চের বিশেষ উদ্যোগে অধিকসংখ্যক মামলা রেখে কার্যতালিকা প্রস্তুত করা হয়। বুধবার বেঞ্চটির কার্যতালিকায় ১ হাজার ৫০১টি জামিন আবেদন শুনানির জন্য ছিল। এসব আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ইতিপূর্বে রুল হয়েছিল। জামিন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জামিন নেওয়ার পর সাধারণত রুল শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হয় না।

আদালত–সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত আদালতের কার্যক্রম চলে। আদালত বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রুল অ্যাবসলিউট (যথাযথ) ঘোষণা করে সিদ্ধান্ত দেন। অপর দুটি আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয় এবং একটি বৃহস্পতিবার শুনানির জন্য রাখা হয়েছে।

ওই বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে নিয়োজিত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘জামিন নেওয়ার পর জামিন প্রশ্নে সাধারণত রুলের শুনানি হয় না। ফলে বছরের পর বছর রুল পড়ে থাকে, নিষ্পত্তি হয় না। এতে মামলাজট তৈরি হয়। প্রধান বিচারপতি মামলা জট নিরসনে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন। অ্যাটর্নি জেনারেল এ কাজে সহায়ক ভূমিকা রাখছেন। দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতির নির্দেশে পুরোনো ওই মামলাগুলো সংশ্লিষ্ট বেঞ্চগুলোতে পাঠানো হয়। হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চটির কার্যতালিকায় থাকা ১ হাজার ৫০১টি জামিন আবেদনের (রুল) মধ্যে হাইকোর্ট ১ হাজার ৪৯৮টি আবেদন নিষ্পত্তি করেছেন, যা খুবই ইতিবাচক। মামলাজট নিরসনে এটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন