বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মন্ত্রী বলেন, এমআরপি ও এমআরভির প্রবর্তন করে সরকার এই সেবার আধুনিকায়ন বন্ধ করেনি। ২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বর্তমান বিশ্বের সর্বাধুনিক ই-পাসপোর্টের উদ্বোধন ঘোষণা করে বলেছিলেন, ই-পাসপোর্ট বাংলাদেশের জনগণের জন্য মুজিব বর্ষের উপহার।

এর আগে ৫ সেপ্টেম্বর প্রথম বৈদেশিক মিশন হিসেবে জার্মানির বার্লিনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মাননীয় মন্ত্রী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ইতিমধ্যে বাংলাদেশ বিমানবন্দরে ই-গেইট স্থাপন করা হয়েছে, যা দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম, এমনকি উন্নত দেশগুলোর স্বল্পসংখ্যক দেশে স্থাপিত হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী চিন্তার সফল বাস্তবায়ন সম্ভব হলো।

এথেন্স থেকে দূরে বসবাসকারী প্রবাসীরা যেন সহজে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারেন, সে জন্য ই-পাসপোর্ট আবেদনের যন্ত্রপাতিসহ একটি মোবাইল ইউনিট রাষ্ট্রদূতের কাছে হস্তান্তর করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
সভাপতির বক্তব্যে পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ূব চৌধুরী বলেন, ‘গ্রিসপ্রবাসী বাংলাদেশিদের পাসপোর্টসংশ্লিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আইয়ূব চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাস গ্রিসের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী, জার্মান ভার্ডস কোম্পানির চিফ অপারেশন অফিসার ম্যাক জুলিয়ান সিওয়ার্ত, গ্রিসে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের অনেকে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন