জানা গেছে, এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করেছে বিইআরসি।

সংবাদ সম্মেলনে দাম ঘোষণা করেন বিইআরসির চেয়ারম্যান মো. আবদুল জলিল। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিইআরসির সদস্য মোহম্মদ আবু ফারুক, মকবুল ই ইলাহি চৌধুরী, মোহাম্মদ বজলুর রহমান, মো. কামরুজ্জামান। শুরুতে সবাইকে স্বাগত জানিয়ে স্বাগত বক্তব্য দেন বিইআরসির সচিব রুবিনা ফেরদৌসী।

বিইআরসির চেয়ারম্যান বলেন, বিশ্ববাজারে দাম বাড়ায় দেশেও দাম বাড়ছে। আমদানিমূল্য কমলে দেশেও কমবে।

গত ডিসেম্বরে বিইআরসিতে মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব করে এলপিজি সরবরাহকারী কোম্পানিগুলো। তাদের প্রস্তাব মূল্যায়ন করে বিইআরসি গঠিত কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি। গত ১৪ জানুয়ারি এলপিজিরি দাম নির্ধারণ নিয়ে গণশুনানি করে বিইআরসি। এরপর ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে নতুন করে গণশুনানির ঘোষণা দেয় বিইআরসি। এর বিরুদ্ধে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গণশুনানি স্থগিত করে দেন উচ্চ আদালত।

বিইআরসির চেয়ারম্যান বলেন, শুনানির বিষয়ে আদালতের রায় নিয়ে কমিশনের আইনজীবীদের কাছ থেকে আইনগত মতামত নেওয়া হয়েছে। কমিশনের সিদ্ধান্ত আজকালের মধ্যে সবাইকে জানানো হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন