বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাতুলের মামা মো. রতন মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর বোন রুনা ১২ দিন ধরে ছেলের খোঁজে পাগলের মতো ছোটাছুটি করছেন। রাতুলের বাবা মো. জাকির হোসেন জাতিসংঘ শান্তি মিশনে কঙ্গোয় আছেন। তিনিও ছেলের চিন্তায় অস্থির। রাতুল এ দম্পতির বড় ছেলে। তাঁদের তিন বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে।

রতন জানান, তাঁরা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে রাতুলকে নেত্রকোনা থেকে ঢাকাগামী সিয়াম শারমিন পরিবহনে উঠতে দেখেছেন। পুলিশ ওই বাসের চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তিনি রাতুলকে বাসে উঠতে দেখেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তাঁদের বাসটি গাজীপুরে বিকল হয়ে পড়েছিল। যাত্রীরা সবাই নেমে গেলেও রাতুল বাসে থেকে যায়। তাঁদের সঙ্গে রাতে খাওয়াদাওয়াও করে। পরে আবদুল্লাহপুর থেকে সে বসুমতী বাসে ওঠে। সেই থেকে সবাই ধারণা করছে, রাতুল ঢাকার কোথায়ও আছে।

রতন আরও জানান, প্রথমবার রাতুল যখন ঘর ছেড়েছিল, তখন সে ঢাকাগামী ট্রেনে চেপে বসেছিল। একজন যাত্রীর সন্দেহ হওয়ায় তিনি রাতুলকে ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানায় দিয়ে আসেন। তখন থেকে রুনা তাঁর ছেলেকে চোখে চোখে রাখছিলেন। তিনি বহুবার ছেলেকে জিজ্ঞাসা করেছেন, কেন সে ঘর থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু কোনো উত্তর পাননি।

রাতুলের স্বজনেরা বলছেন, সম্প্রতি ঘর ছেড়ে পালানো বেশ কিছু কিশোর-কিশোরীকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উদ্ধার করে দিয়েছে। তাঁরাও আশা করছেন, রাতুলকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন