সার্বিকভাবে টিকা কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছে বলে মনে হচ্ছে। আপনার মন্তব্য কী?

শামসুল হক: ১২ বছরের বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা ১৩ কোটি ৯ লাখ। ১২ বছরের ঊর্ধ্বে টিকা পায়নি, এমন মানুষ চোখে পড়ে না। করোনার প্রকোপ কমে এসেছে, ভয়ভীতি কমেছে, অন্যদিকে আগের মতো টিকার চাহিদাও নেই। মানুষের মধ্যে টিকার আলোচনা কমে এসেছে। বুস্টার ডোজ দেওয়া হচ্ছে। কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েনি, হয়তো আগের মতো চোখে পড়ছে না।

করোনা টিকাদানে ব্যাপারে সাফল্য আসলে কোথায়?

শামসুল হক: বাংলাদেশের সাফল্য টিকা সংগ্রহ ও টিকাদানের ক্ষেত্রে। সারা বিশ্বে যে পাঁচটি দেশ প্রথম টিকার ব্যাপারে পরিকল্পনা তৈরি করেছিল, তার মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী প্রথম থেকেই উদ্যোগী ছিলেন। ২০২০ সালের ৪ জুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের নেতৃত্বে আয়োজিত প্রথম ভ্যাকসিন সামিটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যোগদান করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী টিকাকে বৈশ্বিক সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করার কথা বলেছিলেন।

দ্বিতীয়ত, টিকার উদ্যোগের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ইপিআই কর্মসূচি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ যুক্ত ছিল বা এখনো আছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, সবার জন্য টিকা সংগ্রহ করতে হবে এবং দেশের প্রত্যেক মানুষকে টিকা দিতে হবে। এসব কাজ করার জন্য মুখ্য সচিবকে সভাপতি করে একটি জাতীয় কমিটি করা হয়েছিল। অন্যদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ন্যাশনাল ভ্যাকসিনেশন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটি গঠিত হয়। পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জাতীয় টিকা প্রয়োগ পরিকল্পনা অনুমোদন করে।

১২ বছরের বেশি বয়সীদের ৯৮ শতাংশ প্রথম ডোজ এবং ৯৫ শতাংশ দ্বিতীয় ডোজ টিকা পেয়েছে। টিকা প্রদানের হারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম এবং সারা বিশ্বের মধ্যে পঞ্চম স্থানে আছে।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে যখন টিকা দেওয়া শুরু হলো, তখন কিছু জটিলতা হয়েছিল। সেই জটিলতা কীভাবে অতিক্রম করলেন?

শামসুল হক: ভারত থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা পাওয়ার পর আমরা গণটিকা দেওয়া শুরু করি। কিন্তু হঠাৎই প্রতিশ্রুত টিকা আসা বন্ধ হলো। টিকার মজুত কমে আসতে থাকে। আবার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার সময়ও চলে আসে। তখন আমরা টিকা কার্যক্রমে কিছু কৌশলগত পরিবর্তন এনেছিলাম। একই সঙ্গে সারা বিশ্বের সঙ্গে টিকার জন্য যোগাযোগ বৃদ্ধি করলাম। এবং আমরা চীনের টিকা পেয়ে গেলাম।

আবার কিছু দেশ বলল, চীনের টিকা নেওয়া মানুষদের তারা দেশে ঢুকতে দেবে না। এটা দুশ্চিন্তায় ফেলেছিল। তবে বেশ কয়েকটি বন্ধুপ্রতিম দেশ থেকে মডার্না ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা পেয়েছিলাম। আমরা প্রবাসী শ্রমিকদের তা দিতে পেরেছিলাম।

টিকা কেনা ও ভর্তুকিমূল্যে টিকা সংগ্রহের পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া ছিল দুই ধরনের। আপনারা কীভাবে কাজটি করলেন। বিস্তারিত হিসাবটাও যদি ব্যাখ্যা করেন।

শামসুল হক: প্রথমে বয়স্কদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। অনুমিত হিসাব ছিল ১২ কোটি মানুষের জন্য ২৪ কোটি টিকা লাগবে।

আমরা শুরু থেকেই করোনা টিকা সংগ্রহ ও বিতরণের বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্স প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। কোভ্যাক্স আমাদের ৬ কোটি ৪০ লাখ টিকা বিনা মূল্যে দিয়েছে। এ ছাড়া কোভ্যাক্স ভর্তুকিমূল্যে টিকা পেতে সহায়তা করছে। আমরা মোট ৩৩ কোটি টিকা সংগ্রহ করেছি বা পেয়েছি। এর মধ্যে ১৮ কোটি কেনা, বাকি ১৫ কোটি অনুদান ও উপহার হিসেবে পাওয়া।

ইপিআইয়ের অভিজ্ঞতা আপনাদের কীভাবে সহায়তা করেছে?

শামসুল হক: সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার ভিত্তিতে ইপিআই পরিচালিত হয়। বছরের শুরুতে উপজেলা থেকে মাইক্রোপ্লানিং হয়। এরপর তা জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের পরিকল্পনার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়। সারা বছরের টিকার চাহিদার মাসভিত্তিক পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। এটি প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থা বা পদ্ধতি। ইপিআই ছাড়াও দেশে পোলিও, হাম–রুবেলা ও ভিটামিন ‘এ’র অনেক ক্যাম্পেইন হয়েছে। প্রতিটি ক্যাম্পেইনে সারা দেশে সাড়া জাগে। ক্যাম্পেইন সফল করতে মাঠকর্মীদের সম্পৃক্ত করা হয়, তাদের উদ্বুদ্ধ করা হয়, প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এই দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছি। কিছু ক্ষেত্রে লোকবল বাড়াতে হয়েছে।

করোনার টিকা সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিতরণে কিছু কারিগরি বিষয় ছিল, যা ইপিআইয়ের ক্ষেত্রে ছিল না। সমস্যাগুলো কীভাবে অতিক্রম করলেন?

শামসুল হক: জাতীয় পরিকল্পনায় সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিতরণের ক্ষেত্রে আমাদের সক্ষমতা কতটুকু, কোথায় ঘাটতি, তার স্পষ্ট উল্লেখ ছিল। আমরা জানতাম বাকি কী কী জিনিস আমাদের প্রয়োজন। এ প্রয়োজনের কথা কোভ্যাক্সও জানত।

ফাইজারের টিকা মাইনাস ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রাখতে হয়। এ ধরনের ফ্রিজ দেশে কমই ছিল। ইউএসএআইডি আমাদের ৪৮টি ফ্রিজ দেয়। অন্যদিকে ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন এমন টিকা আমরা বেক্সিমকো, ইনসেপ্টা ও র‍্যাডিয়েন্টের স্থাপনায় রাখি। আরও পরে আমরা কোল্ড প্ল্যান্ট ভাড়া করে টিকা রাখা শুরু করি।

আমাদের ফ্রিজার ভ্যান ছিল না। আমরা আটটি ফ্রিজার ভ্যান পেয়েছি ইউএসএআইডির সহায়তায়। আমরা ১০ হাজার ভ্যাকসিন ক্যারিয়ার পেয়েছি। এ ছাড়া কোভ্যাক্স থেকে অনেক আইএলআর, ডিপ ফ্রিজ, ওয়াক ইন কুলার রুম পেয়েছি। টিকা সংরক্ষণ ও বিতরণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, সেভ দ্য চিলড্রেন, রেড ক্রিসেন্ট, ব্র্যাক সবাই আমাদের সহযোগিতা করেছে।

এমনকি কোনো সমস্যা কখনো হয়েছে যে টিকার মজুত ফুরিয়ে যাচ্ছে অথচ আপনারা টিকা পাচ্ছেন না, এ ধরনের ঘটনা কি মনে পড়ে?

শামসুল হক: আমরা দেশব্যাপী তিন দিনের একটি ক্যাম্পেইনের পরিকল্পনা করেছিলাম। কর্মীদের প্রস্তুত করা, প্রচার চালানো—সবই ঠিক ছিল। কিন্তু টিকা বহনকারী উড়োজাহাজ আসতে কয়েক দিন বিলম্ব হয়। তখন আমরা দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই। কর্মসূচি কাটছাঁট করতে বাধ্য হই। তিন দিনের কর্মসূচি এক দিনে শেষ করা হয়।

এমন ঘটনার কথা বলুন, যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ অথচ দেশের মানুষ এখনো জানে না।

শামসুল হক: পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় টিকা ও টিকাকর্মী নেওয়া আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল। বিমানবাহিনী টিকা ও আমাদের কর্মীদের ঠিকমতো পৌঁছে দিয়েছিল।

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঢাকা থেকে ১৬টি জেলায় ফাইজারের টিকা পরিবহনে সমস্যা ছিল। এর মধ্যে একটি জেলা কক্সবাজার। দেশের ভেতরে চলাচল করে এমন বিমান কোম্পানির মালিকদের সঙ্গে কথা বললাম। ঢাকা থেকে বিমান ছাড়ার ঠিক ১০ মিনিট আগে আমরা বিমানে টিকা ওঠাতাম। কক্সবাজারে বিমান পৌঁছানোর পরপর দ্রুততম সময়ে কেন্দ্রে টিকা পৌঁছে দিতাম।

একবার টিকার মজুত প্রায় ফুরিয়ে এসেছিল। দ্রুত টিকা পাওয়া নিয়েও দুশ্চিন্তা ছিল। এমন পরিস্থিতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, জাপান টিকা দেবে উপহার হিসেবে। আমরা স্বস্তি পাই।

আপনারা একটি বিষয় নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন যে টিকা পরিবহনে, বিতরণে এবং সংরক্ষণে কোথাও কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। এর একটি প্রধান কারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সম্পৃক্ততা। যখনই টিকা পরিবহনের বিষয় আসে তখনই পুলিশ সদর দপ্তরে চিঠি লিখে জানাই। টিকা পরিবহন ও সংরক্ষণে ২৪ ঘণ্টা পুলিশ প্রহরা থাকে।

টিকা সংগ্রহ ও টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে মূলনীতি কী ছিল।

শামসুল হক: যেকোনো রোগ প্রতিরোধে টিকার ভূমিকা বড়, মহামারির রাশ টেনে ধরবে টিকা—এই বক্তব্যেই আমাদের আস্থা ছিল শুরু থেকে। সে জন্য আমরা সর্বোচ্চসংখ্যক মানুষকে টিকা দিতে চেয়েছি এবং যেকোনো মূল্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ টিকা সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছি।

এ ক্ষেত্রে জাতীয় টিকা প্রয়োগ পরিকল্পনাকে সব সময় অনুসরণ করেছি। এটি একটি পরিবর্তনশীল দলিল। সময়-সময় এর পরিবর্তন হয়েছে। এ ছাড়া আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মেনে চলার ওপরে জোর দিয়েছি।

অভিযোগ আছে, করোনার টিকা দেওয়ার যোগাযোগ নীতিমালা ছিল না। এ ক্ষেত্রে অর্থ খরচও করা হয়নি। গণমাধ্যম নিজ দায়িত্ববোধ থেকে টিকার প্রচারণা চালিয়েছে। ব্যাখ্যা কী?

শামসুল হক: জাতীয় টিকা প্রয়োগ পরিকল্পনায় যোগাযোগের বিষয়টি ছিল। তাতে মানুষকে অবহিত করা বা মানুষকে তথ্য দেওয়ার বিষয়ও ছিল। মহামারি পরিস্থিতি ও টিকা দেওয়ার তথ্য মানুষকে নিয়মিত জানানো হয়েছে এবং এখনো অব্যাহত আছে। ক্যাম্পেইন বা বড় পদক্ষেপ নেওয়ার আগে প্রেস ব্রিফিং করা হয়।

অন্যদিকে ক্যাম্পেইনের সময় স্থানীয়ভাবে মাইকিং করা হয়। মসজিদ থেকে টিকার ব্যাপারে জানানো হয়। স্বাস্থ্য বিভাগের মাঠকর্মীরা প্রচার চালান। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় প্রচারের ব্যবস্থা রেখেছে। এগুলো পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই হয়েছে। তবে টিকার ব্যাপারে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে দেশের গণমাধ্যমে অনন্য ভূমিকা রেখেছে।

মহামারি শেষ হয়নি। টিকা কার্যক্রম শেষ হবে কবে? করোনার টিকা কি নিয়মিত টিকা কার্যক্রমের অংশ হতে যাচ্ছে?

শামসুল হক: আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুসরণ করি। প্রথম ডোজ, দ্বিতীয় ডোজ বা বুস্টার ডোজের ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে মেনেছি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখনো বলেনি মহামারি শেষ হয়ে গেছে বা বলেনি টিকার প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে। আমরাও বলছি না।

করোনাভাইরাস থাকবে। কিন্তু এর টিকা নিয়মিত দেওয়া হবে কি না, তা জাতীয় নীতিগত বিষয়, জাতীয় সিদ্ধান্তের বিষয়। সমগ্র বিশ্ব কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা–ও দেখার বিষয়।

করোনার টিকা কার্যক্রম থেকে স্বাস্থ্য বিভাগের শিক্ষা বা অভিজ্ঞতা কী হয়েছে? সেই অভিজ্ঞতা কীভাবে কাজে লাগবে?

শামসুল হক: মহামারি থেকে এই শিক্ষা হয়েছে যে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া বড় দুর্যোগ কোনো একক মন্ত্রণালয়ের পক্ষে মোকাবিলা করা সম্ভব না।

আমাদের একটি পরিকল্পনা ছিল, নির্দিষ্ট লক্ষ ছিল এবং আমরা সবাই সেই লক্ষ্য পূরণে একযোগে কাজ করেছি। তবে এ ক্ষেত্রে আমি অবশ্যই ইপিআইয়ের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং স্বাস্থ্য বিভাগের স্বাস্থ্য সহকারী, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, পোর্টার, ভলান্টিয়ার, পরিবার–পরিকল্পনা কর্মী এবং মাঠ প্রশাসন যথা ইউএইচএফপিও, সিভিল সার্জন, বিভাগীয় পরিচালক সবার যুক্ত থাকার বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই। এটাই বড় শিক্ষা।

দেওয়ার সময় কিছু টিকা নষ্ট হয়, এটা স্বীকৃত ‘সিস্টেম লস’। আপনাদের হিসাবে কত টিকা নষ্ট হয়েছে? এ পর্যন্ত মেয়াদোত্তীর্ণ টিকার পরিমাণ কত?

শামসুল হক: টিকা দেওয়ার সময় সারা বিশ্বে ১০ শতাংশ টিকা নষ্ট হতে দেখা যায়। করোনা টিকার ক্ষেত্রে বিশ্বে ২ থেকে ৫ শতাংশ টিকা নষ্ট হতে দেখা যাচ্ছে বলে আমরা তথ্য পাচ্ছি। আমাদের ক্ষেত্রে দশমিক ৫ শতাংশ সিস্টেম লস হয়েছে। অর্থাৎ দুই শ ডোজ টিকা দিলে এক ডোজ টিকা ব্যবহার করা যায়নি।

কোনো টিকার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়নি বা তা ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েনি। এ ব্যাপারে আমরা সতর্ক ছিলাম। কেন্দ্র ও মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা আছে। আমরা যখনই দেখেছি, মেয়াদ শেষ হয়ে আসছে, তখনই আমরা বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়ে টিকার মজুত শেষ করার চেষ্টা করেছি। টিকা নষ্ট হতে দিইনি।