শুভ সকাল। আজ ১৪ আগস্ট, শুক্রবার। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রথম আলোর অনেক আলোচিত সংবাদ হয়তো আপনার চোখ এড়িয়ে গেছে। তাই আজ দিনের শুরুতেই পড়তে পারেন দেশ-বিদেশের আলোচিত পাঁচ খবর ও বিশ্লেষণ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ছাত্ররাজনীতিতে হাতেখড়ি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের। উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক কারণে জেলও খেটেছেন তিনি। স্বাধীনতার পর শিক্ষকতা পেশা দিয়ে তাঁর কর্মজীবন শুরু। পরে শিক্ষকতা ছেড়ে যোগ দেন রাজনীতিতে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে জেলা বিএনপির সভাপতি, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময় পৌরসভার চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে প্রতিমন্ত্রী ও মন্ত্রী হয়েছেন। এখন তিনিই হতে যাচ্ছেন দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি। বিস্তারিত পড়ুন...
বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই বিএনপির রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হলেন। গতকাল দুপুরের পর জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চূড়ান্ত করেছেন। গতকালই নির্বাচন কমিশনে রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে। ফলে মির্জা ফখরুলই দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন, এটা প্রায় পরিষ্কারই। আর তিনি রাষ্ট্রপতি হলে দল ও সরকারের তিনটি পদ ফাঁকা হয়ে যাবে। বিস্তারিত পড়ুন...
ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামের মঞ্চটা যেন সাজানোই ছিল হাসান মাহমুদের জন্য। প্রায় দুই দশকের বেশি সময় পর টেস্ট ক্রিকেট ফিরল উত্তর অস্ট্রেলিয়ার এই শহরে, আর সেই ফেরার মঞ্চেই বাংলাদেশের এই পেসার লিখে ফেললেন নিজের ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার—৫৫ রানে ৬ উইকেট। অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেল ১৯৮ রানে, আর প্রথম দিনের শেষে ব্যাট হাতে বাংলাদেশ ব্যবধান কমিয়ে এনেছে ১০২ রানে, হাতে ৯ উইকেট। বিস্তারিত পড়ুন...
১৯৭৯ সালে জাপানের আমামি ওশিমা দ্বীপে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল প্রায় ৩০টি বেজি। উদ্দেশ্য ছিল বিষধর হাবু সাপের উপদ্রব কমানো। কিন্তু বেজিগুলো সাপ শিকার করার বদলে শিকার করতে শুরু করল দ্বীপের বিরল সব প্রাণীকে। একসময় সেই ৩০টি বেজির সংখ্যা দাঁড়াল প্রায় ১০ হাজারে। এরপর তাদের নির্মূল করতেই জাপানের লেগে গেল কয়েক দশক। খরচ হলো কোটি কোটি টাকা। গল্পটির শুরু অবশ্য আরও আগে। আর এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের নামও। বিস্তারিত পড়ুন...
ছেলের সঙ্গে শেষ কথা কী হয়েছিল? সে কথা বলতে গিয়ে কখনোই শেষ করতে পারেন না নীলা চৌধুরী। কারণ, কথা বলার শুরু থেকেই তাঁর কণ্ঠ ভারী হয়ে আসে। কখনো ক্ষণিকের জন্য নীরব হয়ে যান। কখনো কান্না চাপিয়ে রাখেন। ছেলের সঙ্গে সর্বশেষ কী কথা হয়েছিল, সেই প্রশ্নের উত্তর ধীরে ধীরে দেন এই মা। বিস্তারিত পড়ুন...