আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে এটাই শেষ ডিসি সম্মেলন। এই সম্মেলনে সরকারপ্রধান থেকে শুরু করে সরকারের মন্ত্রী ও সচিবেরা সরাসরি উপস্থিত থেকে ডিসিদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন। অবশ্য আজকের সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে হয়তো এটাই শেষ ডিসি সম্মেলন না–ও হতে পারে। কারণ, একাধিকবার ডিসি সম্মেলনের নজির আছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবারের সম্মেলনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সম্পর্কে আলোচনার জন্য ২৪৫টি প্রস্তাব দিয়েছেন ডিসিরা। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষার মতো কিছু বিষয় বেশি গুরুত্ব পাবে এই সম্মেলনে।

তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলন ২৪ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেবেন ডিসিরা। ডিসিরা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরবেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুষ্ঠানের পরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মন্ত্রণালয় ও বিভাগভিত্তিক কার্য অধিবেশন হবে।

সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ও প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর সঙ্গে এবং তৃতীয় দিনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে ডিসিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এতে উপস্থিত থাকবেন বিভাগীয় কমিশনাররাও।

গত বছরের বাস্তবায়ন পরিস্থিতি

আজকের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত বছরের ডিসি সম্মেলনে মোট ২৪২টি প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছিল, মানে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এর মধ্যে ১৭৭টি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়েছে। বাস্তবায়নের হার ৭৩। বাকি ৬৬টি প্রস্তাব এখনো বাস্তবায়নাধীন।