ইমরুল কায়েস তিন সদস্যের দুদকের অভিযোগ যাচাই–বাছাই কমিটির সদস্য ছিলেন।
এদিকে বুধবার জনপ্রশাসন বিভাগের এক আদেশে ইমরুল কায়েসকে মন্ত্রণালয়ের এপিডি অনুবিভাগে ন্যস্ত করার কথা জানানো হয়।

দুদকের একটি সূত্র জানায়, ইমরুল কায়েস জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি আদেশ তৈরি করে ভারত ভ্রমণ করেন। তবে গত ২৯ মার্চ তিনি দুদক থেকে ১০ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত ৯ দিনের ব্যক্তিগত সফরে ভারত যাওয়ার অনুমতি নেন। সে সময়ে তিনি ভারত যাননি। ২০ জুলাই কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে গোপনে ভারত যান। সেখান থেকে ফেরার পর তাঁকে প্রত্যাহার করে দুদক।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন