সিটিটিসির সাইবার শাখার অতিরিক্ত উপকমিশনার নাজমুল ইসলাম বলেন, দেশি ও প্রবাসীদের ইমো হ্যাক করায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার সাকিব সরাসরি হ্যাকিংয়ের সঙ্গে জড়িত। প্রতারণার কাজে তাঁকে সাহায্য করেন রেজোয়ান। আর মুঠোফোন ব্যাংকিংয়ে টাকা ওঠানোর কাজটি করেন রবিন। রোববার গ্রেপ্তার করার পর গতকাল সোমবার তাঁদের সাইবার ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। আদালত তাঁদের এক দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, রেজোয়ানের বাড়ি যশোরে ও সাকিবের নাটোরে। নাটোরের লালপুরে ইমো হ্যাকিংয়ের বড় চক্র রয়েছে। এর আগে সেখান থেকে কমপক্ষে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রোববার সকালে রাজশাহী নগরের চন্দ্রিমা থানার চকপাড়া এলাকায় একটি ছাত্রাবাস থেকে রাবির দুই ছাত্রকে আটক করা হয়। তখন রেজোয়ানের বড় ভাই মেরাজুল ইসলাম অভিযোগ করেছিলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচয়ে রেজোয়ান ও সাকিবকে তুলে নেওয়া হয়েছে। তিনি জানতে চেয়েছিলেন তাঁরা কোন থানা বা বাহিনী থেকে এসেছেন। তাঁর ভাই ও সাকিবের কী অপরাধ? কিন্তু তাঁরা কিছু না বলে জানান, দুজন নিরাপদে থাকবেন।

পরে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আসাবুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাটি জানার পরই তাঁরা পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছেন। পরে চন্দ্রিমা থানার পুলিশ তাঁদের নিশ্চিত করেছে, ওই দুজনকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আটক করেছে। তাঁদের নিয়ে পুলিশ অভিযানে আছে।