তারেক রহমানকে নিয়ে নাহিদ ইসলামের বক্তব্য প্রত্যাহারে আইনি নোটিশ

সুপ্রিম কোর্টফাইল ছবি
প্রথম আলোকে নির্ভরযোগ্য সূত্র হিসেবে পেতে হলেএখানে ক্লিক করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বক্তব্য প্রত্যাহার চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী আজ বৃহস্পতিবার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এ নোটিশ পাঠান। নাহিদ ইসলাম জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ।

মো. হাবিবুর রহমান নামের সুপ্রিম কোর্টের ওই আইনজীবী নোটিশটি পাঠিয়েছেন। নাহিদের উদ্দেশে নোটিশে আইনজীবী বলেছেন, ‘গত ৩০ অক্টোবর চ্যানেল ওয়ান ও চ্যানেল আইয়ে সন্ধ্যার পর প্রকাশিত আপনার বক্তব্য “চাঁদাবাজি–লুটপাট করার জন্য তারেক রহমান এসেছেন। দেশ পরিচালনায় তাঁর কোনো পরিকল্পনা নাই” দৃষ্টিগোচর হওয়ায় আমি বিব্রত, ব্যথিত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়ে জানাচ্ছি যে এ বক্তব্য অমার্জনীয়, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঈর্ষান্বিত হয়ে অবাস্তব, কাল্পনিক মন্তব্য দিয়ে নিজেকে ছোট ও অপরিপক্ব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, প্রজ্ঞাহীন ব্যক্তি বলে আখ্যায়িত হয়েছেন।’

নোটিশে আরও বলা হয়, ‘এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলের চিফ হুইপের মতো পদধারী ব্যক্তির কাছ থেকে এমন অগ্রহণযোগ্য, কাল্পনিক, অজ্ঞ, জ্ঞানহীন, রাজনৈতিক অপ্রজ্ঞা বক্তব্য জাতি কখনো আশা করেনি।’ এমন বক্তব্যের জন্য নাহিদ জাতির কাছে ক্ষমা চাইবেন বলে নোটিশে ওই আইনজীবী আশা প্রকাশ করেন।

নাহিদের উদ্দেশে নোটিশে বলা হয়, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া ঢালাওভাবে ‘চাঁদাবাজি–লুটপাট করার জন্য এসেছেন’—এমন বক্তব্য চ্যানেল আই ও চ্যানেল ওয়ানের হেডলাইনে বারবার প্রকাশ করে একজন সম্মানিত ব্যক্তির চরিত্র হনন করে মারাত্মক অপরাধ ও ভুল করেছেন, যা ক্ষমার অযোগ্য।

নোটিশদাতা আরও বলেছেন, তারেক রহমানের পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একজন দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং তাঁর মা খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেত্রী ও দুর্নীতিমুক্ত প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের ছেলে তারেক রহমান এমন কার্যকলাপ করতে পারেন—জাতি কখনো বিশ্বাস ও আশা করে না।

নোটিশের শেষাংশে নাহিদের উদ্দেশে বলা হয়, নোটিশ পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে চ্যানেল ওয়ান ও চ্যানেল আইয়ে ৩০ অক্টোবর দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে জবাব দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন বলে নোটিশে উল্লেখ করেছেন নোটিশদাতা।