বেলার নির্বাহী প্রধান বলেন, তৃতীয়বারও জনগণ ছাড়াই সরকার গঠিত হলে জনগণের সে দেশে কোনো অবস্থান থাকবে কি না, সেটা বড় করে ভাবার বিষয়। যদি কোথাও কোনো জবাবদিহি না থাকে, তাহলে ধর্মীয় সংখ্যালঘু অত্যাচারের জবাবদিহি থাকবে, এটা আশা করার কারণ নেই। জবাবদিহি যে সমাজে থাকে, সেখানে সামগ্রিকভাবেই থাকে, না থাকলে কোথাও থাকে না।

এ সময় সাবেক বিচারপতি এম এ মতিন বলেন, ‘আমাদের যে এগুলো (সাম্প্রদায়িক হামলা) হচ্ছে, তার কারণ হচ্ছে আমাদের তো গণতন্ত্র নেই। আমরা তো ভোট দিতে পারি না। অনির্বাচিতরা ভাবছেন, তাঁদের যদি সেনাবাহিনী, পুলিশ থাকে, তাহলে জনগণ কী ভাবল না ভাবল, তাতে তাঁদের দায় নেই। কারণ, তাঁরা আমাদের দ্বারা নির্বাচিত নন।’
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অর্থনীতিবিদ কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ এবং সঞ্চালনা করেন এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের আহ্বায়ক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি সারওয়ার আলী, অভিনেতা মামুনুর রশীদ, নাট্য ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দীন ইউসুফ, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ঊষাতন তালুকদার, একশনএইডের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির, আইনজীবী সারা হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক কাবেরী গায়েন, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং, চাকমা রানি ও মানবাধিকারকর্মী য়েন য়েন, ঐক্য পরিষদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজল দেবনাথ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ, সাংগঠনিক সম্পাদক পদ্মাবতী দেবনাথ, নড়াইলের লোহাগড়ায় সাম্প্রদায়িক হামলার ভুক্তভোগী হ্যামলেট সাহা প্রমুখ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন