শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই ফজলে রাব্বী মিয়া আইয়ুববিরোধী আন্দোলন এবং ১৯৬২-এর শিক্ষা কমিশনবিরোধী আন্দোলনে জড়িত ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ১১ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্রে অসামান্য ভূমিকার জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। এক শোক বাণীতে প্রধান বিচারপতি বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে আইনজীবী মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার অসামান্য অবদান রয়েছে। তিনি ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। জাতি চিরকাল তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ রাখবে।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক শোকবার্তায় ফজলে রাব্বী মিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ এপ্রিল গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের হুইপ, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং দ্বিতীয় মেয়াদে জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্যতম সংগঠক ছিলেন। তিন মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন ডেপুটি এই স্পিকার। তাঁর পরিবার দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন