এর ফলে তাঁদের কারামুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তাঁদের অন্যতম আইনজীবী মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ। অপর দিকে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, রায়ের বিষয়টি দুদককে অবহিত করা হয়েছে। আপিল করা হবে কি না, সে বিষয়ে দুদক সিদ্ধান্ত নেবে।

এর আগে গত ২ আগস্ট হাইকোর্ট ওই মামলায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ট্রাস্টির জামিন প্রশ্নে রুল দেন। আদালতে দুই ট্রাস্টির পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ ও শাহ মঞ্জুরুল হক শুনানিতে ছিলেন। দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান শুনানি করেন।

পরে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সাঈদ আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, আদালতের অনুমতি ছাড়া তাঁরা দেশের বাইরে যেতে পারবেন না এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে যেতে পারবেন না—এ দুই শর্তে তাঁদের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। তাঁদের বয়স, এজাহারে অসামঞ্জস্যতা, তদন্ত শেষ হওয়ায় তাতে তাঁদের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ নেই—এসব যুক্তিতে জামিন চাওয়া হয়।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের জমি কেনা বাবদ অতিরিক্ত ৩০৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয় দেখিয়ে তা আত্মসাতের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গত ৫ মে মামলাটি করে দুদক। এ মামলায় ওই দুই ট্রাস্টিসহ চার ট্রাস্টির আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। আগাম জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়ে ২২ মে হাইকোর্ট তাঁদের পুলিশে সোপর্দ করেন। তাঁরা কারাগারে আছেন।