এর আগে বেলা ১১টার দিকে একই আদালতে মামলা নেওয়ার আবেদনটি করেন কেন্দ্রীয় কৃষক দলের নেতা মিজানুর রহমান। বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, বাদীর বক্তব্য গ্রহণ, নথি পর্যালোচনা করে মামলার আবেদন খারিজ করেছেন আদালত।

মিজানুর রহমানের আবেদনে চট্টগ্রামের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) নূরে আলম মিনা, চট্টগ্রামের রাউজান থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেপায়েত উল্লাহ এবং রাউজান নোয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক ইনচার্জ শেখ জাবেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

এই তিন পুলিশ কর্মকর্তার কেউ বর্তমানে চট্টগ্রামে কর্মরত নেই। তাঁদের মধ্যে নূরে আলম মিনা বর্তমানে রংপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার। ঘটনার পর রাউজান থানার তৎকালীন ওসি কেপায়েত উল্লাহ অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন।

মামলার আবেদনে বলা হয়, ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ সকালে রাউজান উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের কোয়েপাড়া খেলারঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে নুরুল আলমের হাত-পা বাঁধা লাশ পাওয়া যায়। আগের দিন ২৯ মার্চ দিবাগত রাত ১২টায় পুলিশ পরিচয়ে চট্টগ্রাম নগরের চন্দনপুরা এলাকার বাসা থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

আবেদন অনুযায়ী, নুরুল আলমের হাত ও পা নাইলনের দড়ি দিয়ে বাঁধা ছিল। ওড়না দিয়ে তাঁর মুখ ও শার্ট দিয়ে চোখ বাঁধা ছিল। তাঁর মাথায় দুটি গুলির চিহ্ন পাওয়া যায়। এ ছাড়া শরীরে জখমের চিহ্ন ছিল। রাউজানের নোয়াপাড়া কলেজ ক্যাম্পাস এলাকায় নির্যাতন করে নুরুল আলমকে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর লাশ নদীতে ফেলে দেয় পুলিশ।