দুদকের আইনজীবী কাজী ছানোয়ার আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, আসামির উপস্থিতিতে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত। অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয় আসামিকে।

আদালত সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী মো. মনিরুজ্জামান ও তাঁর স্ত্রী জেসমিন আক্তার আগ্রাবাদ এলাকায় একটি ফ্ল্যাট কেনেন। জমি ও ফ্ল্যাটের নামজারিতে ভুলবশত শুধু মনিরুজ্জামানের নামে খতিয়ান তৈরি হয়। পরে তা সংশোধনের জন্য এই দম্পতির আত্মীয় মো. শফিকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দেওয়া হয়। সংশোধনী নামজারি করতে গেলে শফির কাছ থেকে ঘুষ দাবি করেন সঞ্জীব কুমার। ২০১৬ সালের ২০ নভেম্বর এ বিষয়ে দুদকে অভিযোগ করেন শফি। এর দুই দিন পর ফাঁদ পেতে ১০ হাজার টাকা ঘুষসহ সঞ্জীবকে গ্রেপ্তার করে দুদক।

এ ঘটনায় দুদকের সহকারী পরিচালক এইচ এম আক্তারুজ্জামান মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ২৪ মে আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। একই বছরের ২৬ জুলাই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। ১৩ জনের সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় দেন।