হাজিদের বিমানবন্দরে এসে যাতে কোনো সমস্যার মুখে পড়তে না হয়, সে জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, ‘ফিরতি হজ ফ্লাইটের সময়সূচি অনুযায়ী সার্বিক ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাজিদের জন্য অতিরিক্ত দুটি গ্রিন চ্যানেল করা হয়েছে।’

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জমজমের পানি বিতরণের জন্য আলাদা স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। ট্রলি নিয়ে যাতে কোনো সংকট দেখা না দেয়, সে বিষয় বিশেষভাবে তদারকি করা হবে। হাজিরা যাতে নির্বিঘ্নে বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেদিকে খেয়াল রাখা হবে।

অন্যদিকে, ফ্লাইনাসের ফিরতি হজ ফ্লাইট শুরু হবে ১৫ জুলাই।

সৌদি এয়ারলাইন জানিয়েছে, তারাও ১৫ জুলাই থেকে ফিরতি হজ ফ্লাইট শুরু করবে।

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে হজযাত্রা শুরু হয় গত ৫ জুন। শেষ হয় ৫ জুলাই। ৮ জুলাই পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়।

এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৬০ হাজার ১৪৬ জন পবিত্র হজ পালন করেছেন।

বাংলাদেশ থেকে মোট ১৬৫টি হজ ফ্লাইট সৌদি আরবে যায়। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৮৭টি ফ্লাইটে ৩০ হাজার ৩৬৩ জন হজযাত্রী পরিবহন করেছে।

সৌদি এয়ারলাইনস ৬৪টি ফ্লাইটে ২৩ হাজার ৯১৯ জন হজযাত্রী পরিবহন করেছে। আর ফ্লাইনাস ১৪টি ফ্লাইটে ৫ হাজার ৮৬৪ জন হজযাত্রী পরিবহন করেছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন