আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবদুল আলীম মিয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আওলাদ হোসেন।

বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যার পেছনের কুশীলবদের নাম উন্মোচন ও পুরো ঘটনা তুলে ধরতে ১৯৫৬ সালের দ্য কমিশনস অব ইনকোয়ারি অ্যাক্ট অনুযায়ী একটি জাতীয় অনুসন্ধান কমিশন গঠনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। কমিশন গঠনে নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা–ও জানতে চাওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইনসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও অর্থসচিবকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে জানান আইনজীবী সুবীর নন্দী দাস। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘সপরিবার বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ২১ বছর পর থানায় একটি মামলা হয়। দীর্ঘ এই সময়ের মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত খন্দকার মোশতাকসহ অনেকে মারা গেছেন। যে কারণে তাঁদের বিচারের মুখোমুখি করা যায়নি, জানা যায়নি তাঁদের ভূমিকাও। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার হয়েছে। অথচ যারা হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রকারী এবং সুবিধাভোগী তাদের ভূমিকা জাতির সামনে উন্মোচিত হয়নি। তাই হত্যার পেছনে কুশীলবদের নাম উন্মোচন ও পুরো ঘটনা তুলে ধরতে জাতীয় অনুসন্ধান কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে রিটটি করা হয়।’