মামলা দায়ের ও আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ আবদুল আজাদ।

গত সোমবার দুপুরে দিরাই সদরের বিএডিসি মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের উদ্বোধনী সমাবেশ হয়। সমাবেশ শুরুর কিছু সময় পর মোশাররফ মিয়ার নেতৃত্বে একটি মিছিল সমাবেশস্থলে আসে। এ সময় মোশাররফ মিয়ার মঞ্চে ওঠা নিয়ে হাতাহাতি এবং পরে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। ইটপাটকেল নিক্ষেপ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় ৫০ জন আহত হন। মঞ্চে বসা প্রধান অতিথি দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদসহ অন্য অতিথিরা প্লাস্টিকের চেয়ারকে ঢাল বানিয়ে ঢিল থেকে নিজেদের রক্ষার চেষ্টা করেন। তারপরও কারও কারও শরীরে ঢিল লাগে।

তখন মঞ্চ থেকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন মাইকে ঘোষণা দিয়ে তাঁর সমর্থকদের থামাতে বলেন। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। এ কারণে সম্মেলনের কার্যক্রম প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ ছিল। পরে বেলা দুইটায় আবার কার্যক্রম শুরু হয়ে পাঁচটা পর্যন্ত চলে। তখন বক্তৃতাকালে আহমদ হোসেন এ ঘটনায় মোশাররফ মিয়া শাস্তি পাবেন বলে ঘোষণা দেন। পরদিন শান্তিগঞ্জ উপজেলার সম্মেলনে তিনি বলেন, মোশাররফ মিয়া যে বেয়াদবি করেছেন, তার পরিণতি বিএনপি নেতাদের চেয়ে খারাপ হবে।

মোশাররফ মিয়া অবশ্য বলেছেন, তিনি শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে সমাবেশে গিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিপক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবে তাঁর ও তাঁর সঙ্গে থাকা নেতা–কর্মীদের ওপর হামলা চালায়।