পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে আজ বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর বনানীর সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রীয়ভাবে শ্রদ্ধা জানানছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজ

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি, ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’। দিবসটি উপলক্ষে আজ বুধবার সকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর বনানীর সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রীয়ভাবে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

সকাল ১০টা ১০ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শ্রদ্ধা জানান। পরে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তাঁরা শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করেন।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে বনানীর সামরিক কবরস্থানে আসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কিছুক্ষণ পরেই আসেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তাঁকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এরপর শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল সামরিক রীতিতে সম্মান প্রদর্শন করে। বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। এরপর তাঁরা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান ও বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এরপর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবি) সদর দপ্তর ঢাকার পিলখানায় নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। বিডিআরের তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। সব মিলিয়ে তখন পিলখানায় নিহত হন ৭৪ জন। সেদিন পিলখানায় থাকা সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যরাও চরম নৃশংসতার শিকার হন।

বাসসের খবরে বলা হয়, ২০০৯ সালের এই মর্মান্তিক দিনটিকে গত বছর থেকে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে। দিবসটি শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণ, দোয়া ও রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে পালন করা হচ্ছে। দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাণী দিয়েছেন।

আরও পড়ুন