১৪ জুলাই হাইকোর্ট কুতুবকে ছয় মাসের জামিন দেন। বিচারিক আদালতের দেওয়া সাজার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে জামিন চেয়ে কুতুবের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ওই আদেশ দেন। হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে ১৮ জুলাই আপিল বিভাগে আবেদন করে দুদক, যা আজ চেম্বার আদালতে শুনানির জন্য ওঠে।
আদালতে দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান এবং কুতুবের পক্ষে আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন শুনানি করেন।

পরে খুরশীদ আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, জামিন স্থগিত হওয়ায় কুতুব উদ্দিনকে কারাগারেই থাকতে হচ্ছে।

আইনজীবীর তথ্যমতে, সরকারি কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও ভুয়া আমমোক্তারনামার মাধ্যমে গুলশানে ১০ কাঠার একটি প্লট তাঁর শ্বশুরসহ কয়েকজনের নামে বরাদ্দের অভিযোগে ২০১৮ সালে রাজধানীর গুলশান থানায় কুতুব উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ মামলায় গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিচারিক আদালতের দেওয়া রায়ে কতুবের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয়। এ রায়ের বিরুদ্ধে গত ১০ মার্চ কুতুব হাইকোর্টে আপিল করেন। ১৬ মার্চ হাইকোর্ট আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। এরপর জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন কুতুব।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন