কম্বল পেয়ে শেফালী বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী মারা গেছেন। বাসাবাড়িতে কাজ করে চারটি সন্তান নিয়ে অনেক কষ্টে দিন কাটে। শীতে ছেলেমেয়েগুলো রাতে অনেক কষ্ট পায়। এই কম্বলডা দিয়ে এখন শীত কিছুটা নিবারণ করতে পারবানে।’

উপশহর এলাকার আনিছুর রহমান পেঁয়াজু–বেগুনি বিক্রি করে সংসার চালান। তিনি বলেন, ‘ব্যবসার অবস্থা ভালো নয়। বেচাবিক্রি কমে গেছে। শীতে একটা কম্বলও কিনতে পারিনি। কম্বলডা পাইয়ে ভালো হলো।’

কম্বল পেয়ে আড়পাড়া গ্রামের ষাটোর্ধ্ব স্বরূপজান বলেন, ‘আমার সাত ছেলেমেয়ে। এর মধ্যে তিন মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি। শীতে নাতি-নাতনিরা খুব কষ্ট পাচ্ছে। তাদের কোনো কাঁথা–কাপড় কিনে দিতে পারিনি। ভাবতেছি, কম্বলডা এক নাতিরে দিব।’

কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আফজাল হোসেন, পাইওনিয়ার ইনস্যুরেন্স কোম্পানির বিভাগীয় মহাব্যবস্থাপক মো. আবুল কাসেম, প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম, যশোর বন্ধুসভার উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন, সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সৌমেন্দ্র গোস্বামী, যুগ্ম সম্পাদক কামরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন রেজা প্রমুখ।

শীতার্ত মানুষের সহযোগিতায় আপনিও এগিয়ে আসতে পারেন। সহায়তা পাঠানো যাবে ব্যাংক ও বিকাশের মাধ্যমে।

হিসাবের নাম: প্রথম আলো ট্রাস্ট/ত্রাণ তহবিল

হিসাব নম্বর: ২০৭২০০১১১৯৪

ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, কারওয়ান বাজার শাখা, ঢাকা।

অথবা বিকাশে পেমেন্ট করতে পারেন: ০১৭১৩-০৬৭৫৭৬ এই মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট নম্বরে। বিকাশ অ্যাপে ডোনেশন অপশনের মাধ্যমেও আপনার অনুদান পাঠাতে পারেন।