গুম পরিস্থিতির উন্নয়নে কমিশন কী কী করেছে এমন প্রশ্নে কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছি। যখনই আমরা অভিযোগ পেয়েছি, তা তদন্ত করেছি বা নিরপেক্ষ মাধ্যম দিয়ে তদন্ত করিয়েছি। তদন্তে যাঁদের নাম এসেছে, তাঁদের শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। আমাদের প্রতিবেদনের কারণে বেশ কিছু পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যের শাস্তি হয়েছে।

কমিশন জানায়, অভিযোগগুলোর মধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ৪৮টি, কমিশন ৯টি এবং সরাসরি ৬২টি অভিযোগ এসেছে।

চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম বলেন, সরাসরি অভিযোগকারী ৬২ জনের অনেকেই আর যোগাযোগ করেননি। কমিশন থেকে যখন যোগাযোগ করা হয়, তখন তাঁদের অনেকে ফেরত এসেছেন বা এ নিয়ে তাঁদের কথা বলার কোনো আগ্রহ নেই, ফোনও ধরেন না।

নাছিমা বেগম বলেন, এমনও হয়েছে, কিছু বিষয় নিয়ে কমিশন এগোতে পারেনি। কেউ পত্রিকার কাটিং দিয়ে অভিযোগ দিচ্ছে। কিন্তু কার সঙ্গে কথা বলতে হবে, সেটি নেই। তাঁদের অনেকে ফেরত এসেছেন বা গ্রেপ্তার হয়েছেন। আগের ও বর্তমান কমিশনের সময় এমন কিছু অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ প্রসঙ্গে নাছিমা বেগম বলেন, ‘জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে। আমরা মনে করি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আছে, সেগুলো সরকারের খতিয়ে দেখা উচিত। আমরা বলেছি, কমিশনকে আরও শক্তিশালী করা হোক। মানবাধিকার কমিশন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারলে এই পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে। কেউ নিখোঁজ হলে তাকে খুঁজে বের করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের।

বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচিতে হামলার পর উল্টো তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হচ্ছে। এতে মানবাধিকারের লঙ্ঘন হচ্ছে কি না, জানতে চাইলে নাছিমা বেগম বলেন, ‘আদালত মামলা নিয়েছেন। আমরা প্রতিবেদন চেয়েছি। পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত দেব।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন