৩ জুলাই বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে বিমানের একটি উড়োজাহাজের সঙ্গে আরেকটির সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় চারজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিমান প্রতিমন্ত্রী জানান, তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে এই দুর্ঘটনায় বিমানের যে ক্ষতি হয়েছে, তা যাতে দায়ী ব্যক্তিদের কাছ থেকে আদায় করা যায়, তার জন্য বিধিবিধানও সংশোধন করা হবে।

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিমানের নিয়োগে কোনো ধরনের অনিয়ম প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। আগের নিয়োগ নিয়ে যে অনিয়ম হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আমি দায়িত্ব গ্রহণ করার পরেই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশন দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাজ করছে। এবারের নিয়োগেও কোনো ধরনের নিয়মের ব্যত্যয় হবে না। যদি কেউ ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার জন্য অনিয়ম করেন, তবে তাঁকেই এর দায় নিতে হবে। বর্তমান নিয়োগ নিয়ে যে অভিযোগগুলো আছে, সেগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।’

বিমানের কর্মীদের আন্তরিকতা ও কঠোর পরিশ্রমের কারণেই প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিমান সফলভাবে কোভিড সংকট মোকাবিলা করতে পেরেছে বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী। তিনি বলেন, কোভিডের সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় বিমানকে যে টাকা প্রণোদনা দেওয়া হয়েছিল, সেই টাকা ইতিমধ্যে সুদসহ সম্পূর্ণভাবে পরিশোধ করা হয়েছে। কোনো ফ্লাইট ইজারা না নিয়েই এবারের হজ ফ্লাইট সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।

কোভিডজনিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেই জাপানে বিমানের ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, চীনের গুয়াংজু ও কুনমিংয়ে বিমান ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পেয়েছে। গোয়াংজু রুট বিমানের জন্য একটি ভালো গন্তব্য হবে। এ ছাড়া শিগগিরই মালে ও চেন্নাইয়েও বিমানের ফ্লাইট চালু হবে।

এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য (পরিচালন) এয়ার কমোডর সাদিকুর রহমান চৌধুরী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেন ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য (নিরাপত্তা) আবু সালেহ মোহাম্মদ মান্নাফি উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন