এদিকে আজ শুনানির সময় কারাগার থেকে আসামি আশিষ রায় চৌধুরী, সানজিদুল ইসলাম ইমন, তারিক সাঈদ মামুনকে আদালতে হাজির করা হয়। হাজিরা দিয়েছেন জামিনে থাকা আসামি ফারুক আব্বাসীও।

১৬ বছর আগে ঢাকা মহানগরের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) দপ্তর থেকে সোহেল চৌধুরী খুনের মামলার কেস ডকেট নিয়ে যান ফরিদ উদ্দিন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর সন্ধান মেলে সেই অবসরপ্রাপ্ত পরিদর্শকের। তবে হত্যা মামলার তদন্তের নথিপত্র কেস ডকেট (সিডি) আজও আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঢাকা মহানগরের প্রধান পাবলিক প্রসিকিউটর ও সংশ্লিষ্ট আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটরকে ব্যবস্থা নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর বনানীর ট্রামস ক্লাবের নিচে চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় মামলা করেন। গোয়েন্দা পুলিশ ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। এ মামলায় ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ অভিযোগ গঠন করেন। অভিযোগ গঠনের পর আসামি আদনান সিদ্দিকী ২০০৩ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট হাইকোর্ট রুল ডিসচার্জ (খারিজ) করেন এবং এর আগে দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে রায় দেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন