গৃহসহিংসতা, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, বাল্যবিবাহ, দারিদ্র্য ও স্কুল থেকে ঝরে পড়া সমস্যায় ভুগছে দেশের শিশুরা বলে প্রবন্ধে উল্লেখ করেন সায়মা ওয়াজেদ। তিনি বলেন, অবশ্য এসব সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ কাজ করছে, বেশ অগ্রগতিও রয়েছে।
শিশুদের উন্নয়ন ও কল্যাণে বিনিয়োগ প্রয়োজন উল্লেখ করে সায়মা ওয়াজেদ বলেন, ‘শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত খেলার মাঠ নেই। তাহলে শিশুরা কোথায় খেলবে? প্রতিটি শিশুই সম্ভাবনাময়। তাদের জন্য পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে। শিশুদের উন্নয়নে সব অংশীজনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। কারণ, শিশুরা আমাদের ভবিষ্যৎ ও সম্পদ।’ তাদের বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে বলেও মনে করেন সায়মা ওয়াজেদ।

শিশু সুরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ সরকারকে ইইউ সহযোগিতা করে যাবে বলে জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউর রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়নে শিশুরা তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। শিশুদের ওপর সহিংসতা, নির্যাতন ও শোষণ থেকে সুরক্ষায় আমাদের আজকের এই অনুষ্ঠান একটি ভালো সুযোগ, বিশেষ করে সবচেয়ে অরক্ষিত ও শারীরিকভাবে অক্ষম শিশুদের জন্য।

ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বলেন, সমাজকর্মীরা প্রান্তিক শিশুদের কাছে পৌঁছে গেছেন। বহুসংখ্যক সমাজকর্মী শিশুদের সুরক্ষায় কাজ করছেন, এমন সুযোগ করে দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠান

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন