সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী নাজিম কারাগারে
রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজে পরীক্ষা শেষে হল থেকে বের হওয়ার পর আটক শিক্ষার্থী মো. নাজিম উদ দৌলাকে (২৫) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ শুক্রবার পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিন আদালতে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে নাজিমকে আদালতে তুলে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ। অন্যদিকে তাঁর জামিন আবেদন করেন আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন।
জামিন আবেদনের শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার সময় একদল যুবক নাজিমকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তিনি কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন।
তবে শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে নাজিমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানী থানার ১১ ও ৬ নম্বর সড়কের সংযোগস্থলে অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় করা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে বৃহস্পতিবার তিতুমীর কলেজ এলাকা থেকে নাজিমকে গ্রেপ্তার করে বনানী থানা-পুলিশ।
নাজিম কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার জাদুচর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মো. মমিনুল ইসলামের ছেলে।
আদালতে পুলিশের আবেদন সূত্রে জানা গেছে, তিতুমীর কলেজ প্রাঙ্গণে আটকের সময় ধস্তাধস্তিতে নাজিম আহত হন। পরে তাঁকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে থানায় আনা হয়। শুক্রবার বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. কামাল হোসেন তাঁকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।