স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত শুধু ভৌগোলিক সীমান্তেই আবদ্ধ নয়; ৫০ বছর ধরে দুই দেশের শিল্প, সাহিত্য, যোগাযোগব্যবস্থাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা লক্ষণীয়। বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরোনো বন্ধু ভারত। মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে অকুণ্ঠ সমর্থন দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের নিরীহ মানুষের ওপর পাকিস্তানের বর্বর গণহত্যার বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল ভারত। এ ছাড়া প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় ও সার্বিক সহযোগিতা দেয় ভারত।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ভারতের সুদীর্ঘ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন আসাম বিধানসভার স্পিকার বিশ্বজিৎ দাইমারি। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন ভারতের অকৃত্রিম বন্ধু। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার মূর্ত প্রতীক। বাংলাদেশের চলমান অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়ন সত্যি অনুসরণীয়।

বিশ্বজিৎ দাইমারি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকারকে আসাম বিধানসভা পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান। শিরীন শারমিন চৌধুরী তা গ্রহণ করে ভবিষ্যতে সুবিধাজনক সময়ে পরিদর্শনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সাক্ষাৎকালে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ আতিউর রহমান ও ইকবালুর রহিম এবং সংসদ সচিবালয়ের সচিব কে এম আবদুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে আসাম আইনসভার স্পিকারের নেতৃত্বে সংসদীয় প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ পরিদর্শন করে। সাক্ষাৎ শেষে প্রতিনিধিদল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করে।