আগামী বছরের ছুটির তালিকা অনুমোদন, ছুটি কত দিন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
প্রথম আলোকে নির্ভরযোগ্য সূত্র হিসেবে পেতে হলেএখানে ক্লিক করুন

জানুয়ারিতে শুরু হতে যাওয়া আগামী বছরের ছুটির তালিকা অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এতে ১৫ দিন সাধারণ ছুটি ও ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি মিলিয়ে মোট ২৯ দিন ছুটি রাখা হয়েছে। তবে এসব ছুটির মধ্যে সাত দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ছুটি ভোগ করবেন কার্যত ২২ দিন।

আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

চলতি (২০২৬) বছরের সরকারি ছুটি ২৮ দিন। এর মধ্যে সাধারণ ছুটি ১৪ দিন ও নির্বাহী আদেশে ছুটি ১৪ দিন। এ বছর শেষ হওয়ার আগে আগামী বছরের ছুটির খসড়া তালিকা অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ পরব উপলক্ষে ১৫ দিন সাধারণ ছুটি হবে। তবে এই ছুটির মধ্যে ৪টি সাপ্তাহিক ছুটির দিন (২টি শুক্রবার ও ২টি শনিবার) পড়েছে। এ ছাড়া বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরব উপলক্ষে ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি হবে। এর মধ্যে ৩টি সাপ্তাহিক ছুটির দিন (১টি শুক্রবার ও ২টি শনিবার) পড়েছে।

এ ছাড়া ধর্মীয় পরব উপলক্ষে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা বছরে অনধিক ৩ দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করতে পারেন।

দুটি অধ্যাদেশ আইনে পরিণত হতে যাচ্ছে

এ ছাড়া মন্ত্রিসভার বৈঠক ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন কার্যক্রমের দ্রুত বিস্তার নিশ্চিত করতে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ অধ্যাদেশ ২০২৬’ ইতিমধ্যে জারি করা হয়েছে। এখন নিয়ম অনুযায়ী অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করার জন্য আইনের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ অধিবেশনে খসড়া উপস্থাপন করা হবে।

একই কারণে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ গত ২১ সেপ্টেম্বর ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করা হয়েছিল। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলছে, দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা, ক্রয়কাজে অধিকতর প্রতিযোগিতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন, অতি ক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র, নারী দরপত্রদাতা ও সুযোগবঞ্চিত দরপত্রদাতাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার সংরক্ষণ, উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির কার্যপ্রণালির আধুনিকায়ন ইত্যাদি বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী এ অধ্যাদেশও আইনে পরিণত করার জন্য আইনের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।