শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের ‘সফট ওপেনিং’–এর সম্ভাব্য তারিখ জানালেন বিমানমন্ত্রী

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত আজ মঙ্গলবার ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনছবি: মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, আগামী ১৬ ডিসেম্বরকে সম্ভাব্য তারিখ বিবেচনায় নিয়ে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের ‘সফট ওপেনিং’–এর কার্যক্রম চলমান, তবে পুরোপুরি চালু হতে আরও সময়ের প্রয়োজন হবে।

আজ মঙ্গলবার সকালে তৃতীয় টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন রশিদুজ্জামান মিল্লাত। মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরিদর্শনকালে তৃতীয় টার্মিনালের কাজের অগ্রগতি সরেজমিন তদারকি করেন মন্ত্রী। তিনি উপস্থিত জাপানি কনসোর্টিয়াম ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের নানা দিকনির্দেশনা দেন।

ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে এই টার্মিনালের ভবন উদ্বোধন করা হলেও তা চালুর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। টার্মিনালে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়নি। কার্যক্রম পরিচালনার সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনাও ছিল না।

ব্যাগেজ হ্যান্ডলিংয়ে সেবার মান উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নতুন টার্মিনালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সঙ্গে দ্বিতীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার নিয়োগ করা হবে। নির্দিষ্টসংখ্যক ‘কী পারফরম্যান্স ইনডিকেটর—কেপিআই’–এর মাধ্যমে সেবার মান পর্যবেক্ষণ করা হবে। বর্তমানে প্রথম ব্যাগেজ ১৮ মিনিটে যাত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। এই সময় আরও কমিয়ে আনার প্রচেষ্টা চলমান। তা ছাড়া টার্মিনালের এয়ারক্রাফট ল্যান্ডিংয়ের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

টার্মিনালের রাজস্ব ভাগাভাগি প্রসঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, পূর্বনির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী রাজস্বের ১৫ শতাংশ বাংলাদেশ, বাকি ৮৫ শতাংশ জাপানি কোম্পানির পাওয়ার কথা ছিল। তবে বর্তমান সরকার আলোচনার মাধ্যমে এই অনুপাত পরিবর্তন করে বাংলাদেশের প্রাপ্য অংশ ২৭ শতাংশে উন্নীত করেছে।

টার্মিনাল পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।