রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্থানীয় সরকার বিভাগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তাজুল ইসলাম।

মন্ত্রী বলেন, ‘অনেকে এসব কথা বললে পছন্দ করেন না। ভালো থাকলে বলতে পারব না! আগে ৯০–৯৫ ভাগ মানুষের গায়ে কাপড় ছিল না। ২০১০ সালে ১৪ ঘণ্টার মধ্যে ১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পেতাম। ওই সময়ের সঙ্গে তুলনা করছি।’ তিনি বলেন, ‘কোভিড এবং এরপর রাশিয়া–ইউক্রেনের যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে। দেশে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। মানুষের কষ্ট বাড়ছে, এটা কি আনন্দের নাকি আমাদের জন্য! আমাদের দুর্বলতা, কষ্টের সময়ে কেউ কেউ বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তাদের ভাষায়, পাকিস্তান আমল নাকি ভালো ছিল। ওই সময়ে দারিদ্র্য ছিল ৮০–৯০ শতাংশ। শিক্ষার হার ছিল ১৫। জয় বাংলা বললে তাদের খারাপ লাগে। তারা ২০০১–০৬ সালে ক্ষমতায় ছিল, ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেনি। তাদের সময়ে খাদ্য ঘাটতি ছিল।’

দেশে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘বিবেচকের চোখ দিয়ে বলুন, কোন জায়গায় উন্নতি হয়নি? মানুষকে সঠিক তথ্য দিন। আমাদের ত্রুটি–বিচ্যুতি থাকতে পারে। তবে কারও থেকে পিছিয়ে নেই। আমরা সব দুর্নীতিমুক্ত করতে পারিনি। তবে আগের চেয়ে দুর্নীতি কমেছে।’

এদিকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, মশকনিধনে মেয়ররা আন্তরিকভাবে কাজ করছেন। বৃষ্টির মৌসুম দীর্ঘায়িত হয়েছে। অল্প অল্প করে বৃষ্টি হচ্ছে, পানি জমছে। জমে থাকা ময়লা পানিতে এডিস মশা বাড়ে। দুঃখজনকভাবে অনেক লোক ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেক লোক মারা যাচ্ছেন।