default-image

শুধু সাদিয়া নয়, তার মতো আরও ৭০ শিক্ষার্থী এসেছিল ‘এইউ ডব্লিউ সামার স্কুল-২০২২’ শীর্ষক আয়োজনে। এ আয়োজন শুরু হয় গত ১৭ জুলাই। শেষ হয় বৃহস্পতিবার। এ উপলক্ষে ছিল আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ওরাকল করপোরেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর (বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপাল) রুবাবা দৌলা। বিশেষ অতিথি ছিলেন শেভরনের করপোরেট অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক মো. ইমরুল কবির ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক নাফিসা হোসাইন। আরও উপস্থিত ছিলেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের ডিন বিনা খুরানা, অফিস ফর অ্যাডভান্স লার্নিংয়ের পরিচালক ও সামার স্কুলের আয়োজক ম্যারি চ্যান্ডি।

অনুষ্ঠানে রুবাবা দৌলা বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। যাঁরা প্রযুক্তিজগতে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে পারছেন, তাঁরা এ যুগে এগিয়ে যাবেন। কোনো কিছুই বাধা হয়ে সামনে দাঁড়াতে পারবে না। আর নারীদের এগিয়ে যেতেই হবে। স্বপ্ন দেখতে হবে আকাশ ছোঁয়ার।

আয়োজকেরা জানান, ৪ সপ্তাহব্যাপী সামার স্কুলে ১৩ জেলা থেকে শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। শেভরন ও এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের যৌথ উদ্যোগে স্কুলের আয়োজন করা হয়। গণিত ও বিজ্ঞান, মানবিক, কম্পিউটার কোডিং—এ তিন ভাগে শিক্ষার্থীরা হাতে–কলমে এসব বিষয়ের খুঁটিনাটি সম্পর্কে ধারণা নেয়। দেশ-বিদেশের নামকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা পাঠদান করেন। পরে সমাপনী আয়োজনে ছয় শিক্ষার্থীকে ইয়ং উইমেন বৃত্তি দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন